মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সিরিয়ার পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেছেন, দেশটির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তন করেছে। গতকাল রোববার (৮ ডিসেম্বর) রুজভেল্ট রুম থেকে দেয়া বক্তব্যে বাইডেন সংঘাতের ব্যাপারে তিনটি দিক নির্দেশনা দিয়েছেন— অংশীদারদের সমর্থন, নিষেধাজ্ঞা ও কূটনীতি এবং প্রয়োজনে লক্ষ্যভিত্তিক সামরিক শক্তি ব্যবহার। খবর বিবিসি।

বাইডেন এ সময় সিরিয়ায় অব্যাহত মার্কিন সামরিক উপস্থিতির ওপর জোর দিয়ে বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বুঝি যে, সিরিয়ায় কোনো রাজনৈতিক শূন্যতার সুযোগ নিয়ে আইএস পুনরায় তাদের ক্ষমতা পুনর্গঠন এবং একটি নিরাপদ আশ্রয় তৈরি করার চেষ্টা করবে। আমরা তা হতে দেব না।

গতকাল রোববার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড নিশ্চিত করেছে যে, তারা ৭৫টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব লক্ষ্যবস্তু ছিল সিরিয়ার পূর্বের বাদিয়াহ মরুভূমিতে, যেখানে আইএস পুনর্গঠিত হচ্ছে বলে প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, বিদ্রোহীরা রাজধানী দামেস্ক দখলে নিলে সিরিয়া থেকে পালিয়ে যান বাশার আল-আসাদ। ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে করে তার দেশত্যাগের খবর প্রকাশ হলেও তিনি কোথায় গিয়েছেন, তা নিয়ে দিনভর ছিল ধোঁয়াশা। অবশেষে গতকাল রাতে বিবিসি ও রয়টার্সের খবরে বলা হয় বাশার মস্কো পৌঁছেছেন। আর সিরিয়ায় ইস্যুতে আলোচনার জন্য আজ সোমবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে রাশিয়া।