যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের একটি স্কুলে বন্দুক হামলায় এক শিক্ষক ও এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। হামলাকারী কিশোরী এরপর নিজেও গুলি করে আত্মহত্যা করেছে। এলোপাতাড়ি গুলিতে আহত হয়েছেন আরো ছয়জন।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, স্থানীয় সময় সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে ম্যাডিসনের অ্যাবানড্যান্ট লাইফ ক্রিশ্চিয়ান স্কুলে এক কিশোরী বন্দুক হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি গুলিতে স্কুলের একজন শিক্ষক ও একজন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।
ম্যাডিসন পুলিশ প্রধান শন বার্নস এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, গুলিবিদ্ধ দুই শিক্ষার্থীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। এছাড়া এক শিক্ষক এবং আরো তিনজন শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয়েছে এবং তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
হামলার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা স্কুলের আশপাশের রাস্তা বন্ধ করে দেয় বলে জানান বার্নস।
যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্দুক হামলার ঘটনা নতুন না হলেও নারী হামলাকারীর ঘটনা সচরাচর দেখা যায় না। এখনো পর্যন্ত এই সহিংসতার কোনো সুস্পষ্ট উদ্দেশ্য জানা যায়নি। স্কুল কর্তৃপক্ষের মতে, স্কুলের ভেতরের একটি নির্দিষ্ট স্থানে এ হামলা চালানো হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীর পরিবার তদন্তে সহযোগিতা করছে।
শন বার্নস জানান, দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী স্কুলে গুলির ঘটনা সম্পর্কে ৯১১ নম্বরে ফোন করে জানিয়েছিল।
কে-১২ স্কুল শুটিং ডাটাবেস ওয়েবসাইট অনুসারে, এই বছর যুক্তরাষ্ট্রে ৩২২টি স্কুলে গুলির ঘটনা ঘটেছে। ওই ডাটাবেসের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬৬ সালের পর এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যা, যেখানে গত বছরের ৩৪৯টি ঘটনাই ছিল সর্বোচ্চ।
ম্যাডিসনের মেয়র সাতিয়া রোডস-কনওয়ে বলেন, আমাদের দেশে এবং আমাদের সম্প্রদায়ে বন্দুক সহিংসতা প্রতিরোধে আরো ভালোভাবে কাজ করতে হবে।










