চলতি ইংল্যান্ড সফরের আগে টেস্টে শুবমান গিলের সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ১২৮ রান। এই সিরিজে পরপর দুই টেস্টে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস খেলার কৃতিত্ব দেখালেন তিনি। লিডস টেস্টে খেলেন ১৪৭ রানের ইনিংস। এবার বার্মিংহামে করলেন ডাবল সেঞ্চুরি। আজ দ্বিতীয় দিন ৩১১ বলে ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ভারতীয় দলনায়ক। আউট হওয়ার আগে ৩৮৭ বলে ৩০ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ২৬৯ রান করেন তিনি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এটা ভারতের ইতিহাসে দ্বিতীয় সেরা ব্যক্তিগত ইনিংস। সর্বোচ্চ ৩০৩ রানের ইনিংস খেলার কৃতিত্ব রয়েছে করুণ নায়ারের। ২০১৬ সালে চেন্নাই টেস্টে তিনি ট্রিপল সেঞ্চুরি করেন।

আজ গিলের বীরত্বে প্রথম ইনিংসে ৫৮৭ রান তুলতে সমর্থ হয় ভারত। জবাব দিতে নেমে ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ৭৭ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।

বুধবার প্রথম দিনের খেলা শেষে ১১৪ রানে অপরাজিত ছিলেন গিল। ভারতের সংগ্রহ ছিল ৩১০/৫। আজ বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনও দারুণ ব্যাটিংয়ে দলকে টানতে থাকে। ২৬৩ বল খেলে পৌঁছে যান দেড়শ রানে। ৩৪তম টেস্টে তুলে নেন সপ্তম সেঞ্চুরি, যাকে পরে ডাবলে রূপ দেন। জাদেজা ৮৯ রানে আউট হয়ে যান। গিলকে নিয়ে ২৭৯ বলে ওভারে ২০৩ রানের জুটি গড়েন গিল। এরপর ওয়াশিংটন সুন্দরকে নিয়ে ১৪৪ রানের আরেকটি দারুণ জুটি গড়েন তিনি। ওয়াশিংটন করেন ৪২ রান।

লিডস টেস্টে ১৪৭ রানের ইনিংস খেলেন গিল। ওই টেস্টে ভারতের হয়ে জোড়া সেঞ্চুরি করেন ঋষভ পন্ত এবং একটি করে সেঞ্চুরি পান লোকেশ রাহুল ও যশস্বী জয়সোয়াল। এরপরও ভারত হেরে যায়। তাদের ছুড়ে দেয়া ৩৭১ রানের টার্গেট সফলভাবে তাড়া করে ইংল্যান্ড। সেই হতাশা ভুলে বার্মিংহামেও জ্বলল গিলের ব্যাট। এবার আরো অনবদ্য ব্যাটিং করেন তিনি।

গিলের ক্যারিয়ারের সাত সেঞ্চুরির চারটিই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। গত বছর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজে দুটি সেঞ্চুরি করেন।