ভারত ও শ্রীলংকায় আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর শুরু হবে আইসিসি নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ। খেলতে নামার আগে বড় সুখবর পেল অংশগ্রহণকারী ৮টি দল। এই আসরের প্রাইজমানি আগের আসরের চেয়ে প্রায় চারগুণ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি এ খবর জানিয়েছে। আইসিসি জানিয়েছে, এবারের নারী বিশ্বকাপে মোট প্রাইজমানি ১ কোটি ৩৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার (প্রায় ১৬৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা)। ২০২২ সালে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত নারী বিশ্বকাপে মোট প্রাইজমানি ছিল ৩৫ লাখ ডলার (৪২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা)।
এমনকি ছেলেদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের চেয়েও বেশি প্রাইজমানি দেয়া হচ্ছে এবারের নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে! ২০২৩ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত আসরে প্রাইজমানি ছিল ১ কোটি ডলার (প্রায় ১২১ কোটি টাকা)।
এবার চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৪৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার (প্রায় ৫৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা)। ২০২২ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া পেয়েছিল ১৩ লাখ ২০ হাজার ডলার (প্রায় ১৬ কোটি টাকা)। এবার রানার্সআপ দল পাবে ২২ লাখ ৪০ হাজার ডলার (প্রায় ২৭ কোটি টাকা), যা আগে ছিল ৬ লাখ ডলার।
এছাড়া সেমিফাইনালে হেরে যাওয়া দুই দল পাবে ১১ লাখ ২০ হাজার ডলার করে। আর গ্রুপ পর্বে অংশ নেয়া প্রতিটি দল নিশ্চিতভাবে পাবে আড়াই লাখ ডলার (প্রায় ৩ কোটি ৩ লাখ টাকা)। এর বাইরে গ্রুপ পর্বে প্রতিটি জয়ের জন্য ৩৪ হাজার ৩১৪ ডলার (প্রায় ৪১ লাখ ৭০ হাজার টাকা) পাওয়া যাবে।
এরপর পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে থাকা দল পাবে ৭ লাখ ডলার (৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা) করে, সপ্তম ও অষ্টম স্থানে থাকা দল পাবে ২.৮ লাখ ডলার (৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা) করে।
অর্থ্যাৎ, বাংলাদেশ দল যদি অংশগ্রহণ করে সাত ম্যাচের একটিও না জিতে অষ্টম হয়ে দেশে ফিরে আসে, তবু পাবে ৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা!
নারী বিশ্বকাপে প্রাইজমানি বাড়িয়ে উচ্ছ্বসিত আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সেক্রেটারি জয় শাহ বলেন, ‘এই ঘোষণা নারী ক্রিকেটের যাত্রায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। প্রাইজমানি চার গুণ বৃদ্ধি নারী ক্রিকেটের জন্য এক স্মরণীয় মুহূর্ত এবং এটি নারী ক্রিকেট বিকশিত করতে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।’










