শুরু হচ্ছে ঘিবলি ফেস্ট। জি-কিডস ও ফ্যাথম এন্টারটেইনমেন্টের স্টুডিও আয়োজন করছে এ ফেস্ট। ফেস্টের অংশ হিসেবে বড় পর্দায় আবারো মুক্তি পাচ্ছে হায়াও মিয়াজাকির ‘হাউলস মুভিং ক্যাসল’। সিনেমাটি ২০-২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে থিয়েটারে পুনঃপ্রদর্শিত হবে।
২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি সোফির গল্প অনুসরণ করে। সোফি শান্ত স্বভাবের এক মেয়ে। সে একটি টুপি তৈরির দোকানে কাজ করে। তার জীবন নাটকীয়ভাবে বদলে যায় যখন এক রহস্যময় ও সুদর্শন জাদুকর হাউল তাকে আক্ষরিক অর্থেই উড়িয়ে নিয়ে যায়। হাউলের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে অহংকারী ও প্রতিশোধপরায়ণ উইচ অব দ্য ওয়েস্ট সোফির ওপর একটি অভিশাপ দেয়। সোফিকে ৯০ বছর বয়সী বৃদ্ধায় পরিণত করে। সে অভিশাপ ভাঙার খোঁজে সোফি হাউলের জাদুকরী ভ্রমণকারী দুর্গে ওঠে এবং এক নতুন জীবন, বিস্ময় ও দুঃসাহসিক অভিযানের পথে পা বাড়ায়।
চলচ্চিত্রটি মিয়াজাকির জন্য এক ভিন্নধর্মী পদক্ষেপ ছিল। তিনি এশীয় লোককাহিনী ও আত্মার জগৎ থেকে সরে এসে এক ইউরোপীয় রূপকথার জাদুকর ও ডাইনিতে ভরা জগতে প্রবেশ করেন।
ভ্যারাইটিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আকিহিকো ইয়ামাশিতা বলেন, ‘তিনি প্রায় দুই বছর স্টুডিও ঘিবলির এ চলচ্চিত্রে সুপারভাইজিং অ্যানিমেটর হিসেবে কাজ করেছেন। প্রডাকশনের শেষ ছয় মাসে তিনি প্রতিদিন ১৪ ঘণ্টা করে কাজ করেছেন। তার কোনো ছুটি ছিল না।’
ইয়ামাশিতা মিয়াজাকির সঙ্গে তার সহযোগিতার অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘মিয়াজাকি সবকিছু নিজে করেন। লেআউট থেকে শুরু করে স্টোরিবোর্ড সবকিছুই তিনি নিজে আঁকেন। ধরুন কোনো কি অ্যানিমেটর কিছু অ্যানিমেশন তৈরি করলেন। যদি সেটা মিয়াজাকির পছন্দ না হয়, তাহলে তিনি সেটা পরিবর্তন করে একটি রাফ ড্রইং করে দেন। এরপর কি অ্যানিমেটর ও অন্য অ্যানিমেটরদের সেটা চূড়ান্ত রূপ দিতে হয়।’
এ উৎসবের অংশ হিসেবে ‘দ্য বয় অ্যান্ড দ্য হেরন’ চলচ্চিত্রটিও আবার প্রেক্ষাগৃহে ফিরে আসছে। হাউলস মুভিং ক্যাসল জাপানিজ মূল ভাষা ও ইংরেজি ডাব উভয় সংস্করণেই দেখানো হবে। সূত্র: ভ্যারাইটি










