ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। টেলিভিশন নাটকে নিয়মিত অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি নিজের জায়গা শক্ত করেছেন বেশ আগেই। দীর্ঘদিন ধরেই একক নাটকে তার উপস্থিতি লক্ষণীয়। পর্দায় প্রতিবারই নিজেকে নতুনভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেন তিনি। চরিত্রের ভেতরে ঢুকে অভিনয় করা, সংলাপে সংযম, অভিব্যক্তিতে স্বাভাবিকতা—সব মিলিয়ে তানিয়া বৃষ্টিকে দর্শক গ্রহণ করেছেন একজন পরিণত অভিনেত্রী হিসেবে।
সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক নতুন নাটকে অভিনয় করে আলোচনায় রয়েছেন তিনি। গত মাসেই প্রকাশ পেয়েছে তার অভিনীত বেশ কয়েকটি নাটক—‘জামাই বউ বাটপার’ ও ‘পানু হেটস রানু’ (পরিচালনা: মাসুদ রানা অনিক) এবং ‘দাদীর দাদাগিরি’ (পরিচালনা: শহীদ উন নবী)। এর পরপরই মুক্তি পেয়েছে মিতুল খানের ‘সুইট প্রেমিক’, মহিন খানের ‘কাবিনের বোঝা’ ও জাকিউল ইসলাম রিপনের ‘রেগে গেলাম তো হেরে গেলাম’। বিশেষ করে ‘সুইট প্রেমিক’ নাটকটি দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছে। নাটকটিতে তানিয়া বৃষ্টির বিপরীতে অভিনয় করেছেন নিলয় আলমগীর।
কিছুদিন আগেই প্রকাশিত হয় তুহিন হোসেন পরিচালিত ‘জয়িতার দিনরাত্রি’। নাম ভূমিকায় অভিনয় করা বৃষ্টির জন্য এটি ছিল একটি নারীপ্রধান গল্পের নাটক। জয়িতা চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে নিজের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি, আর তাতে পেয়েছেন দর্শকের প্রশংসা।
এছাড়া সোহেল রানা ইমনের নির্দেশনায় পার্থ শেখের সঙ্গে তিনি অভিনয় করেছেন ‘এই শহরে মেঘেরা একা’ নাটকে, যা নিয়েও প্রশংসিত হয়েছেন তানিয়া বৃষ্টি। বর্তমানে প্রচারে থাকা ‘সুইট প্রেমিক’, ‘কাবিনের বোঝা’ ও ‘রেগে গেলাম তো হেরে গেলাম’ নাটকগুলোর জন্যও তিনি দর্শকপ্রিয়তা পাচ্ছেন।
নিজের সাম্প্রতিক কাজ প্রসঙ্গে তানিয়া বৃষ্টি বলেন, ‘জয়িতার দিনরাত্রি নাটকটি ছিল একেবারেই ভিন্নধর্মী। জয়িতা চরিত্রে অভিনয়ের জন্য অনেক শ্রম দিয়েছি। এই শহরে মেঘেরা একার জন্যও দারুণ সাড়া পাচ্ছি। এখন আমি এমন গল্পে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছি, যেখানে চরিত্রগুলো চ্যালেঞ্জিং। অনেক কষ্ট-সংগ্রামের পর আজ একজন অভিনেত্রী হিসেবে ভালো অবস্থানে আসতে পেরেছি—এটাই আমার তৃপ্তি।’
তিনি আরো যোগ করেন, ‘দর্শক আমার অভিনীত নাটকগুলো আগ্রহ নিয়ে দেখেন, তাদের ভালোলাগার কথা জানান—এ ভালো বাসাই আমাকে অনুপ্রাণিত করে। এখন গল্প ও চরিত্র নির্বাচনে নিজের মতামতের স্বাধীনতা পাচ্ছি। যেসব নির্মাতা আমাকে বুঝে কাজ দিচ্ছেন, তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’










