তবে নতুন পর্বটি নিয়ে টিমোথি এতদিন খুব বেশি কথা বলেননি। সম্প্রতি তিনি জানালেন তার অনুভূতি। টিমোথির মতে ডুনের তৃতীয় পর্বই সবচেয়ে বেশি হাড় হিম করা। সম্প্রতি একটি আয়োজনে ম্যাথিউ ম্যাককগনির সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি এসব কথা বলেন।

ম্যাথিউকে উদ্দেশ করে টিমোথি বলেন, ‘দ্বিতীয় পর্বের শেষ ও তৃতীয় সিনেমা জুড়ে আপনি যা দেখবেন, তা হলো ‘ইন্টারস্টেলার’-এ আপনার, ‘দি ডার্ক নাইট’-এ হিথ লেজার ও ‘অ্যাপোক্যালিপ্স নাউ’য়ে মার্লন ব্র্যান্ডোর অভিনয়ের মিশ্রণ।’ তবে এর পরপরই নিজেকে সংশোধন করেন টিমোথি। তিনি নিজেই জানান যে এ রকম করে বড় তারকাদের কাতারে নিজেকে ফেলতে পারেন না। তবে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন এদের কাজের মতোই কিছু করবেন।

টিমোথি আরো জানান, অস্কার আইজ্যাকও তার প্রেরণা ছিলেন। অস্কার প্রথম পর্বে টিমোথির পল চরিত্রের বাবা হিসেবে অভিনয় করেছিলেন। টিমোথি বলেন, ‘তিনি চরিত্রটিকে শেকসপিয়রীয় ভঙ্গিতে নিয়েছিলেন—উচ্চমাত্রায় অভিনয় করতেন এবং সেটি যে উচ্চমাত্রার, তা নিয়ে বিশেষ ভাবতেন না। আইজ্যাককে দেখেই অভিনয়ে আরো বেশি স্বাধীনতা নিয়েছিলেন টিমোথি।

ডুনের মতো ফ্যান্টাসি সায়েন্স ফিকশনে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা ছিল না টিমোথির। তিনি বলেন, ‘আমি তখন বিউটিফুল বয়, কল মি বাই ইয়োর নেমের মতো স্বাভাবিকধর্মী সিনেমা করে অভ্যস্ত। তারপর ডুন ছিল বিশাল মাপের একটি সিনেমা, তাই আমি কিছুটা ভীত ছিলাম। কিন্তু বিশেষ করে তৃতীয় সিনেমায়, পর্দায় আপনি যে অসাধারণ জিনিসগুলো দেখেন, সেগুলো এসেছে চলাফেরা ও পছন্দের স্বাধীনতা থেকে। আর দেনির সঙ্গে আমাদের দারুণ ছন্দ তৈরি হয়েছিল।’

ডুন সিনেমার তৃতীয় পর্বে কাজ করার সময়ই অভিনয়ে চূড়ান্ত ফর্মে ছিলেন বলে মনে করেন শ্যালামে। এর কারণও আছে। মার্টি সুপ্রিম ও এ কমপ্লিট আননোনে তার অভিনয় প্রশংসিত হওয়ায় তিনি দারুণ চাঙ্গা ছিলেন। টিমোথি বলেন, ‘আমি কোনো মুহূর্তেই আত্মতুষ্ট হতে চাইনি। প্রতিটি মুহূর্তই পবিত্র ছিল, আর এটি ছিল আমার শেষ ‘ডুন’ সিনেমা, তাই আমি এটিকে পবিত্র হিসেবেই দেখতে চেয়েছিলাম। মানুষ অনেক সময় আত্মতুষ্ট হয়ে পড়ে, কিন্তু তৃতীয় সিনেমাতে আমি আরো বেশি তীব্র ছিলাম। মনে হচ্ছিল সেটাই স্বাভাবিক গতি, তাই আমি সেটার বিপরীতে যতটা সম্ভব জোর দিয়ে কাজ করতে চেয়েছি।’

সূত্র: ভ্যারাইটি