আরো আছেন বিক্রান্ত ম্যাসি, তামান্না ভাটিয়া, অবিনাশ তিওয়ারি, নানা পাটেকর ও ফরিদা জালাল। বিশাল ভরদ্বাজ পরিচালিত সিনেমাটি বক্স অফিসে মোটামুটি ভালো ব্যবসা করলেও দর্শক মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। সিনেমা হিট হোক না হোক, হিট হলেন হুসেন জাইদি। কেননা সিনেমাটি তার বই ‘মাফিয়া কুইনস অব মুম্বাই’ অবলম্বনে নির্মিত। এর আগে সঞ্জয় লীলা বানসালি একই বই থেকে গল্প নিয়ে নির্মাণ করেন ‘গাঙ্গুবাই কাঠিয়াওয়ারি’।

ও’ রোমিওর গল্পটি গ্যাংস্টার হুসেন উস্তারার জীবনের অনুপ্রেরণায় নির্মিত। তার সঙ্গে স্বপ্না দিদির সম্পর্ক নিয়ে গল্পটি আবর্তিত। স্বপ্না বিশ্বাস করতেন যে গ্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিম তার স্বামীকে হত্যা করেছে। সিনেমায় শাহিদ অভিনয় করেছেন উস্তারার চরিত্রে, আর তৃপ্তি দিমরি অভিনয় করেছেন আফশা খানের ভূমিকায়, যা স্বপ্না দিদির চরিত্র থেকে অনুপ্রাণিত।

২০২২ সালে মুক্তি পায় গাঙ্গুবাই কাঠিয়াওয়াড়ি। নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন আলিয়া ভাট। ১৯৬০-এর দশকের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রও মাফিয়া কুইনস অব মুম্বাইয়ের একটি অধ্যায় অবলম্বনে তৈরি। এক সাক্ষাৎকারে বানসালি জানিয়েছিলেন, তিনি যখন বইটির স্বত্ব কিনতে লেখক জাইদিকে ফোন করেন, তখন তিনি অবাক হয়ে যান। কারণ এটি বইয়ের সবচেয়ে ডার্ক গল্পগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত ছিল।

20

বানসালি বলেন, ‘যখন আমি হুসেনকে ফোন করে বললাম, আমি স্বত্ব কিনতে চাই। তিনি বিস্মিত হয়েছিলেন। তিনি (জাইদি) বলেন, ‘‘এটি সব গল্পের মধ্যে সবচেয়ে ডার্ক।’’ কিন্তু আমি বলেছিলাম, আমি মুম্বাইয়ের এ গল্পই চাই। আমি আমার জীবনের ৩০ বছর তার বাসস্থানের এক গলি দূরে থেকেছি এবং প্রতিদিন এ পতিতালয়গুলোর পাশ দিয়ে যেতাম।’

২০২২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ চলচ্চিত্র ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে। বানসালির পাশাপাশি আলিয়া ভাটও প্রশংসিত হন।

২০১১ সালের এ নন-ফিকশন বইটিতে মোট ১৩ জন নারীর গল্প বলা হয়েছে। এরা হলেন গাঙ্গুবাই কাঠিয়াওয়াড়ি, স্বপ্না দিদি, জেনাবাই দারুওয়ালি, নীতা নায়েক, মনিকা বেদি, সুজাতা নিখালজে, সোনু পাঞ্জাবি, সায়রা বেগম, মহালক্ষ্মী পাপামণি ও পদ্মা পূজারী। এরা মুম্বাইয়ের অপরাধ জগতে ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছেছিলেন। পুরুষপ্রধান অপরাধচক্রে তারা রেখে গেছেন শক্তিশালী ও স্থায়ী ছাপ।

সূত্র ও ছবি: হিন্দুস্থান টাইমস