আশনুর কৌর ভারতের জনপ্রিয় তরুণ অভিনেত্রী ও টেলিভিশন তারকা। খুব অল্প বয়সেই তিনি অভিনয়জগতে পা রাখেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তার ব্যক্তিত্ব, স্টাইল ও পরিশ্রমী মানসিকতা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিশেষভাবে প্রশংসিত। জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো বিগ বস ১৯-এর প্রতিযোগী হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় আসেন তিনি। সম্প্রতি মুম্বাইয়ে নিজের কেনা বিলাসবহুল বাড়ির ছবি প্রকাশ করেছেন। এ নিয়ে ভক্ত ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা। ২০০৪ সালে জন্মগ্রহণ করা এ অভিনেত্রী অল্প বয়সেই নিজের পরিশ্রম ও উপার্জনে মুম্বাইয়ে এই প্রিমিয়াম বাড়ি কেনেন। দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, বাড়ির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪ কোটি রুপি। মনোরম বারান্দা থেকে করিডোর—সব মিলিয়ে তার বাড়িটি দেখে ভক্তরা মুগ্ধ। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই বলেছেন, এ বাড়ি স্বপ্নের মতো সুন্দর। তুলনা করেছেন সহপ্রতিযোগী তানিয়া মিত্তালের গোয়ালিয়রের বাড়ির সঙ্গে। তানিয়ার বাড়িটি অত্যাধুনিক, যেখানে বিলাসবহুল ইন্টেরিয়র, ব্যক্তিগত স্পা এবং জিমসহ নানা সুবিধা রয়েছে।
লিভিং রুম—ফটো বুথ করিডোর, স্মার্ট লাইট ও বার
নয়নদ্বীপ রক্ষিতের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে আশনুর তার বাড়ির ভেতরের বিস্তারিত দেখান। শুরুটা হয় একটি দৃষ্টিনন্দন করিডোর দিয়ে। যেটিকে তিনি ফটো বুথ হিসেবে ব্যবহার করেন। এখানে বেশির ভাগ ছবি তোলেন। আশনুর বলেন, ‘বাড়ির বেশির ভাগ অংশের নকশা আমার মা করেছেন, তবে দেয়ালটি করা হয়েছে আমার আইডিয়ায়। এর টেক্সচারটা আমার খুব পছন্দ। দারুণ ও তরলপ্রবাহের মতো, দেখতে খুব শান্ত। আর বিশাল আয়নাটায় নিজেকে বারবার দেখতে ভালোই লাগে।’
ভিডিওতে দেখানো হয়, লিভিং রুমে ঢুকতেই স্বর্ণমন্দিরের একটি বড় ছবি চোখে পড়ে। আশনুর একটি অ্যাপের মাধ্যমে বাড়ির আলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। মন চাইলে গোলাপি আলোও চালু করা যায়। বাড়ির সবকিছুই অটোমেটেড। মোবাইল ফোনের মাধ্যমেও ঘরে আলো কম-বেশি করা যায়।
আশনুরের পরিবারের কেউ মদ্যপানের অভ্যাস নেই। তার পরও আশনুর নান্দনিকতার দিকটি গুরুত্ব দিয়ে বাড়িতে একটি বার রেখেছেন। লিভিং রুমের রঙের ধরন মূলত সাদা ও ক্রিম। এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে হালকা সোনালি ছোঁয়া। এখানে বিভিন্ন প্রদর্শনী থেকে আনা একাধিক ছবি ও শিল্পকর্ম রাখা হয়েছে। আশনুর তার পাওয়া সব পুরস্কার সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখার জন্য নিজের পছন্দ ও নকশা অনুযায়ী বিশেষভাবে বানানো একটি ডিসপ্লে স্ট্যান্ড তৈরি করেছেন। অভিনেত্রী যখন ভয়েস কমান্ড সিস্টেম অ্যালেক্সাকে নির্দেশ দেন, তখন পাতলা পর্দা সরে গিয়ে একটি বিশাল বারান্দা খুলে যায়। নিজের বাড়ি সম্পর্কে আশনুরের অনুভূতি হলো, ‘এটি প্রশান্তি ও মানসিক স্বস্তির জায়গা’।










