সংকট মোকাবেলায় সরকারের এ পদক্ষেপকে সম্মান জানিয়েই মার্কেটের অভ্যন্তরে পরিচালিত প্রেক্ষাগৃহগুলোকে বন্ধ না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টরা।
চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বাণিজ্যিক বাস্তবতা এবং দর্শক চাহিদার কথা তুলে ধরে প্রেক্ষাগৃহগুলোকে মার্কেট বন্ধের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানানো হয়েছে। যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা শাহরিয়ার শাকিল, তানিম নূর, রেদওয়ান রনি, সাকিব আর খান, রায়হান রাফী, শাহরিন আক্তার সুমি ও শিরিন সুলতানা। সেখানে বলা হয়, দর্শক সমাগমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হলো সন্ধ্যা ও রাত, যা ‘প্রাইম টাইম’ হিসেবে পরিচিত। কর্মব্যস্ত দিন শেষে অধিকাংশ দর্শক পরিবার-পরিজন নিয়ে এই সময়ই সিনেমা দেখতে আসে। ফলে সন্ধ্যা ৭টায় হল বন্ধ হয়ে গেলে বিপুলসংখ্যক দর্শক সিনেমা দেখা থেকে বঞ্চিত হবে।
বিবৃতিতে অতীতের উদাহরণ টেনে উল্লেখ করা হয়, আগে মার্কেট বা বিপণিবিতান নির্দিষ্ট সময়ে বন্ধ হলেও সিনেমা হলগুলো সেই নিয়মের বাইরে থাকত। সাধারণত রাত ১০টা কিংবা নির্ধারিত শো শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রেক্ষাগৃহ খোলা রাখার অনুমতি দেয়া হতো। মার্কেটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই সিনেমা হল চালু রাখা সম্ভব, যার সফল নজির অতীতে রয়েছে।
হল বন্ধ থাকা প্রসঙ্গে নির্মাতা তানিম নূর বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বিপণি বিতানের পাশাপাশি সিনেমা হলও বন্ধ থাকছে। সিনেমার একটা বড় দর্শক সন্ধ্যার পরই শো দেখে। সেদিক থেকে লক্ষ করা যাচ্ছে আমাদের ২০-২৫ শতাংশ শো কমে যাচ্ছে। ফলে আর্থিকভাবেও আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। আগের তুলনায় আয়ও প্রায় ৩০ শতাংশ কমে গেছে।’ সমাধানের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সিনেমা হল ও মাল্টিপ্লেক্সগুলোকে এ নিয়মের আওতামুক্ত রাখা গেলে শো চালু রাখা সম্ভব হবে এবং ক্ষতিও অনেকটা কমে আসবে।’
অন্যদিকে পরিস্থিতিকে সাময়িক সংকট হিসেবে দেখছেন স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের এজিএম মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘এটা একটা সাময়িক সংকট। এ সংকটের সময় সরকার একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা সে সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ অনুসারেই কাজ করব। আর আশা করি সংকট দ্রুতই কেটে যাবে।’









