গতকাল ভারতের চেন্নাইয়ের ভেলোর খ্রিস্টান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ তার মেয়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চিকিৎসাধীন মুহূর্তের বিবরণ দিয়ে তিনি জানান, ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেয়ার সময় হঠাৎ কারিনার রক্তচাপ (প্রেশার) আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যায়। চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ফিরিয়ে আনা যায়নি তাকে। মৃত্যুকালে তিনি পিতা-মাতা, দুই ভাই ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা নিয়ে কায়সার হামিদ জানান, সব প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় গতকাল কারিনার মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়নি। আজ রোববার চেন্নাই থেকে তার মরদেহ ঢাকায় এসে পৌঁছবে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ জ্বর দিয়ে শুরু হলেও পরবর্তী সময়ে কারিনার শরীরে মারাত্মক সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ এবং ই-জনিত তীব্র জটিলতা দেখা দেয়ায় তার লিভার ফেইলিউর হয়। দেশের মাটিতে অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার ফুসফুসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও লিভার ট্রান্সপ্লান্টের (প্রতিস্থাপন) সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, কিন্তু তার আগেই সব চেষ্টা ব্যর্থ করে চলে গেলেন এ তরুণী।