ভিয়েতনামের সিনেমা দ্য ব্রাইড। মূলত হরর জনরার সিনেমা এটি। ভিয়েতনামে আগামী ২৯ আগস্ট সিনেমাটির প্রিমিয়ার হবে। কিন্তু তার আগে থেকেই ভিয়েতনামভিত্তিক সেলস এজেন্ট স্কাইলাইন মিডিয়া এ সিনেমা বহির্বিশ্বে পরিবেশনের চেষ্টা করছে। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা চূড়ান্তও হয়েছে। থংকাম ফিল্মস ও সিলভার মুনলাইট এন্টারটেইনমেন্টের সিনেমাটি এরই মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে মুক্তির বিষয়ে কথা পাকাপাকি করেছে। ভিয়েতনামের সঙ্গে একই দিনে এ দুই দেশে দ্য ব্রাইড মুক্তি পাবে। এছাড়া আরো কয়েকটি দেশের বিপণন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা হয়েছে স্কাইলাইনের। সেসব জায়গা থেকেও এসেছে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ছাড়াও তাইওয়ান, উত্তর আমেরিকা, লাতিন আমেরিকায় সিনেমাটি মুক্তির বিষয়ে আলাপ চলছে। তবে আগস্টে মুক্তি পাবে না সেসব জায়গায়। তাইওয়ানের মুভি ক্লাউড, উত্তর আমেরিকার ইস্টার্ন এজ ফিল্মস ও লাতিন আমেরিকার ডেল্টা ফিল্মসের সঙ্গে আলাপ অনুসারে এসব অঞ্চলে সেপ্টেম্বরে মুক্তি পেতে পারে সিনেমাটি।

লি থংকাম পরিচালিত সিনেমার গল্পটি সরল। গল্পে ভিয়েতনামের এক তরুণী তার ধনী প্রেমিকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। এরপর ছেলেটির গ্রামে গেলে সেখানে এক অশরীরীর সঙ্গে মেয়েটির দেখা হয়। সেই মেয়েটি থাইল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী বিয়ের পোশাকে হাজির হয়। ছেলেটির পরিবারের বিষয়ে অনেক কিছু উঠে আসে এরপর।

সিনেমাটিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে স্কাইলাইন মিডিয়ার প্রতিষ্ঠানটির বিপণন ব্যবস্থাপক অ্যালিস নগুয়েন বলেন, ‘এক বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করার পর স্কাইলাইন মিডিয়া সিনেমাটির বৈশ্বিক মুক্তি নিয়ে চিন্তা করেছে। ভিয়েতনামে প্রিমিয়ার হওয়ার পর অন্যান্য অঞ্চলে সিনেমাটি মুক্তির চিন্তা করছি। এর মধ্যে অবশ্য থাইল্যান্ডে একটা বড় আয়োজন করে সিনেমাটি মুক্তি দেয়া হবে।’

স্কাইলাইন মূলত থাইল্যান্ডের সিনেমা ও সংস্কৃতি বিস্তারে কাজ করতে চায়। সেই উদ্দেশ্যে ২০২৫ সালের শুরুতেই কাজ শুরু করেছে। বছরের শুরুতে ‘দ্য রিয়েল সিস্টার’ নামের ফ্যামিলি ড্রামা তারা উত্তর আমেরিকার প্রায় ১০০ থিয়েটারে মুক্তি দিয়েছে। এছাড়া সিনেমাটি মিয়ানমার, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে মুক্তি দেয়া হয়েছে।

সূত্র: ভ্যারাইটি