জয়া আহসান অভিনীত নতুন সিনেমা ওসিডি। পরিচালনা করেছেন সৌকর্য ঘোষাল। সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে শিশু নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে। আমাদের সমাজে শিশু নির্যাতনের নানা রকম ঘটনা ঘটে। সেসব নিয়ে সচেতনতার বার্তা দিতে চেয়েছেন নির্মাতা সৌকর্য।
এ সিনেমায় জয়া আহসান অভিনয় করেছেন শ্বেতা নামের এক চিকিৎসকের চরিত্রে। তার জীবনজুড়ে লেগে আছে অতীতের ধূসর ছায়া। শৈশবের তিক্ত অভিজ্ঞতা মনের গভীরে অন্ধকার হয়ে জমে থাকে এবং তাকে প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়ায়। একপর্যায়ে তার অতীত সম্পর্কে এক রোগী জেনে যাওয়ার পর শ্বেতার জীবনে নেমে আসে ভয়াবহ পরিণতি। আশপাশের মানুষজন এবং যারা তার বিরোধিতা করে, তাদের প্রতি ক্রমেই বিতৃষ্ণ হয়ে ওঠে সে। শেষ পর্যন্ত শ্বেতার পরিণতি কী হয়, তার উত্তর মিলবে সিনেমার পর্দায়।
পরিচালক সৌকর্য ঘোষালের মতে, ‘ওসিডি’ মূলত একটি সাইকোলজিক্যাল ড্রামা। এটি শুধু থ্রিলার হিসেবেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমাজে শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে এক ধরনের প্রতিবাদও। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌকর্য বলেন, ‘বড়দের সমস্যা নিয়ে আমরা যতটা সরব, শিশুদের সমস্যার ক্ষেত্রে ততটাই নীরব। এ নীরবতাই ভবিষ্যতে মানসিক অসুখ, ট্রমা ও জটিলতার জন্ম দেয়। ওসিডি তারই একটি রূপ।’
সিনেমাটিতে জয়া আহসান তুলনামূলক নতুন একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এর জন্য অবশ্যই প্রয়োজন ছিল প্রস্তুতি। শ্বেতা চরিত্রের জন্য প্রস্তুতি বিষয়ে জয়া বলেন, ‘এ ছবির স্ক্রিপ্টটা একেবারেই আলাদা। সাধারণ ধারার বাইরে। চরিত্রটির ভেতরে যেমন ওসিডির জটিলতা আছে, তেমনই রয়েছে অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। ছবিতে বাচ্চাদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই শুটিংয়ের প্রতিটি মুহূর্তেই আলাদা সতর্কতা আর সংবেদনশীলতা বজায় রাখতে হয়েছে। এ চরিত্রে ঢুকতে ওসিডি নিয়ে পড়াশোনা করেছি।’
সিনেমাটিতে জয়া আহসানের সঙ্গে অভিনয় করছেন কণিনীকা ব্যানার্জি, অনসূয়া মজুমদার, আরশিয়া মুখার্জি, কৌশিক সেন, ফজলুর রহমান বাবু প্রমুখ।










