যশোরের
বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা, হামলা, ভাংচুর ও পোস্টার ছিঁড়ে
ফেলার অভিযোগ তুলেছেন স্বতন্ত্রী মেয়র প্রার্থী মফিজুর রহমান সজন। এ বিষয়ে তিনি
গতকাল দুপুরে প্রেস ক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। কিন্তু পুলিশের বাধায় প্রেস ক্লাবে এসেও তিনি সংবাদ সম্মেলন না করে চলে
যেতে বাধ্য হন। এর আগে এদিন
সকালে ভাংচুর, প্রচারণায় বাধার অভিযোগে রিটার্নিং কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার ও সহকারী রিটার্নিং
কর্মকর্তার কাছে মৌখিক অভিযোগ দিয়েছেন। এছাড়া কয়েকদিনে চারটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বেনাপোল পোর্ট থানায়।
এ বিষয়ে স্বতন্ত্রী প্রার্থী মফিজুর রহমান সজন বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সব প্রার্থী এখন প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত। সময় যত ঘনিয়ে আসছে, নির্বাচনের পরিবেশ ততই নষ্ট হচ্ছে। প্রতিনিয়ত আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরা আমার প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে। প্রচারণাকাজে ব্যবহৃত মাইক ভাংচুর, কর্মীদের মারধরের হুমকি দেয়া হচ্ছে। এসব বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় জিডি করেছি। তার পরও নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক হয়নি। ফলে নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করলেও পুলিশের বাধায় চলে যেতে হয়েছে। পরে রিটার্নিং কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মৌখিক অভিযোগ দিয়েছি। তারাও আমাকে আশ্বস্ত করেছেন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করার।’
তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণায় বাধা দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে নৌকার প্রার্থী নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এসব কর্মকাণ্ডে আমার কর্মীরা জড়িত না।’
এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদারের সেলফোনে কল দেয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি। তবে জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) বেলাল হোসাইন বলেন, ‘আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। সংবাদ সম্মেলন করতে কাউকে বাধা বা নিষেধ করা হয়নি।’










