যশোর সদর উপজেলার দায়তলা, ছাতিয়ানতলা ও রাজারহাটে তিনটি সেতু পুনর্নির্মাণে বিআইডব্লিউটিএর নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে সরকারের অর্থ অপচয় হবে বলে নির্মাণকাজ বন্ধের দাবিতে গত সোমবার জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ভৈরব নদ সংস্কার আন্দোলন কমিটি।
সংগঠনের আহ্বায়ক আফসার আলী স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান নদী ভৈরব। ভৈরব নদ সংস্কারে সরকার ২৭২ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড সে সংস্কারকাজ সমাপ্ত ঘোষণা করেছে। লক্ষ্য ছিল নদকে প্রবহমান ও নৌ-চলাচলের উপযোগী এবং উজানে মাথাভাঙ্গা-ভৈরব সংযোগ করে স্থায়ী নদী প্রবাহ নিশ্চিত করা। পানি উন্নয়ন বোর্ড উজানে সংযোগের জন্য একটি প্রকল্পও গ্রহণ করেছে, যা প্রক্রিয়াধীন।
নদের ওপর ৫১টি সংকীর্ণ সেতু-কালভার্ট রয়েছে। নদের নাব্য ও নৌ-চলাচল উপযোগী করতে সেগুলো বিআইডব্লিউটিএর প্রণীত নীতিমালা অনুযায়ী পুনর্নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। এলজিইডি কর্তৃপক্ষ সরকারের এ নীতিগত সিদ্ধান্ত বানচাল ও সরকারি অর্থ অপচয় করার ষড়যন্ত্র করছে বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, নদী রক্ষা কমিশনের সভাপতি এবং নৌপথে সেতু নির্মাণ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের ভূমিকা পালনের দায়িত্ব রয়েছে। আমরা ভৈরব নদ সংস্কার আন্দোলন ও অববাহিকার জনগণের পক্ষ থেকে তিনটি সেতু নির্মাণকাজ বন্ধ করে নীতিমালা অনুযায়ী নির্মাণে হস্তক্ষেপ করার জন্য জেলা প্রশাসকের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।
স্মারকলিপি দেয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন ভৈরব নদ সংস্কার আন্দোলন কমিটির উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ, সদস্য নাজিম উদ্দিন, হারুন অর রশিদ, জিল্লুর রহমান ভিটু, মোস্তাফিজুর রহমান বাবর, হাসান আলী, সুকদেব বিশ্বাস প্রমুখ।










