২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে দুইদিন শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার হত্যাকাণ্ড চালায় বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে তুলে ধরেছেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। তিনি বলেন, ৫ তারিখ রাত ১০টা থেকে ১০টা ৩০ মিনিটে ক্র্যাকডাউন শুরু হয়। যা রাত ৩টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট অবধি চলেছিল। একইভাবে পরেরদিন দিবাগত রাতেও ক্র্যাকডাউন চালানো হয়।
বুধবার (১২ মার্চ) রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার শুনানিতে তিনি এসব কথা বলেন।
এদিকে ওই ক্র্যাকডাউনে কতজনকে হত্যা করা হয় জানতে চাইলে সাংবাদিকদের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে বাঁক পরিবর্তনকারী একটি ঘটনা ছিল শাপলা চত্বরের গণহত্যা। এ গণহত্যার মধ্য দিয়ে ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠদের পক্ষে যারা সক্রিয় ছিল তাদেরকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়া হয়। যাদেরকে হত্যা করা হয় তাদের অধিকাংশ ছিল মাদ্রাসার এতিম শিশু-কিশোর, কোরআনে হাফেজ এ ধরনের মানুষ। পরবর্তীতে তাদের কতজন মারা গেছে তা প্রকাশ না করার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। অধিকারের মতো একটি মানবাধিকার সংগঠন যারা সংখ্যাটি প্রকাশ করেছিল, এর দায়ে অধিকারের প্রধান নির্বাহী আদিলুর রহমান খানকে কারারুদ্ধ করা হয়। এ ধরনের নির্যাতন বাংলাদেশের ইতিহাসে আলোচিত মানবতাবিরোধী অপরাধ। কতজন নিহত হয়েছিলেন সেটি তদন্তাধীন আছে। আমাদের তদন্ত সংস্থা সেটি বের করবে। এখনই মোট নিহতের সংখ্যা বলতে পারছি না। তদন্তের প্রতিবেদন জমা দেয়ার দিন এ সংখ্যাটি বলা যাবে।’










