এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফল বিপর্যয়ের চিত্র এবার প্রায় সব সূচকেই স্পষ্ট। পাসের হার নেমে এসেছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। মানবিক বিভাগে ফেল করেছে প্রায় ৫৮ শতাংশ শিক্ষার্থী। ইংরেজি ও আইসিটিতে অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৩ লাখ ৮২ হাজার পরীক্ষার্থী। এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন। কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী, বেড়েছে শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও। তবে এ বিপর্যয়ের মধ্যেও মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভালো ফল ধরে রেখেছে।

একই পাঠ্যক্রম ও পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানভেদে ফলাফলের এমন বড় ব্যবধান শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির পাশাপাশি পাঠদানের মান, শিক্ষক সক্ষমতা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার দীর্ঘদিনের দুর্বলতাকেও সামনে এনেছে। তাই ফল বিপর্যয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতার চেয়ে ব্যবস্থাগত সংকটকে খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে করছেন শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সালে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এরপর তা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকে। ২০০৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কোনো বছরই এ হার ৬০ শতাংশের নিচে নামেনি। সর্বশেষ ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ১২ শতাংশ। এবার তা আরো কমে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে নেমেছে। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট।

পাসের হারের পাশাপাশি বড় ধস নেমেছে জিপিএ ৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও। এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ ৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৬৩ হাজার ২১৯। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৭ হাজার ২৭১, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪৩ শতাংশ কম।

অন্যদিকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বেড়েছে। এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। গত বছর এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি। ফলাফলের এ চিত্র দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিদ্যমান গুণগত বৈষম্য এবং শিক্ষার সামগ্রিক মান নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তুলনামূলকভাবে শহরাঞ্চলের শিক্ষার্থী এবং স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে। এ বছর নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বোর্ড। তবে ঢাকা বোর্ডের মধ্যেও সবচেয়ে ভালো ফল করেছে ঢাকা মহানগর। মহানগরীতে পাসের হার ৭৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ। বিপরীতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১৩ জেলার মধ্যে সাতটিরই পাসের হার ৫০ শতাংশের নিচে।

এছাড়া স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও ভালো ফলের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। এ বছর সবচেয়ে বেশি জিপিএ ৫ পেয়েছেন নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থীরা। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩ হাজার ২৭২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩ হাজার ২১৮ জন। পাসের হার ৯৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ এবং জিপিএ ৫ পেয়েছেন ২ হাজার ২২৯ জন। ভিকারুন নিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২ হাজার ৩৭৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ২ হাজার ২৩৮ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ১৩৯ জন এবং জিপিএ ৫ পেয়েছেন ৪১৬ জন। তবে প্রতিষ্ঠানটিতে গত বছরের তুলনায় জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে পাসের হার ৯৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং জিপিএ ৫ পেয়েছেন ৮২৯ জন। ঢাকা কলেজে পাসের হার ৯৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে ৯৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজেও পাসের হার ৯৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

HSC

এছাড়া দেশের ১২টি ক্যাডেট কলেজেই শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন এবং ৫৬৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৩৬ জন জিপিএ ৫ পেয়েছেন। সে হিসাবে শতভাগ পাসের পাশাপাশি জিপিএ ৫ প্রাপ্তির হার দাঁড়িয়েছে ৯৪ দশমিক ২০ শতাংশে। এর মধ্যে বরিশাল, সিলেট, রংপুর, রাজশাহী, মির্জাপুর ও ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের শতভাগ পরীক্ষার্থীই জিপিএ ৫ অর্জন করেছেন।

সার্বিক ফলাফলের বিপর্যয় প্রসঙ্গে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘দেশের অধিকাংশ কলেজেই অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের পদ শূন্য রয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকেরও ঘাটতি আছে। পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রম যথাযথভাবে তদারকির জন্য মানসম্মত মনিটরিং ব্যবস্থাও গড়ে ওঠেনি। সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর একটি হলো বিগত সময়ে অনেক শিক্ষক অতিরিক্তভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন। ফলে পাঠদানে তাদের মনোযোগ কমেছে, আবার অনেকে বর্তমানে কর্মস্থলেও নেই। শিক্ষার্থীদের মধ্যেও পড়াশোনার প্রতি উদাসীনতা রয়েছে। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানে শ্রেণীকক্ষে নিয়মিত উপস্থিতির হার ৪০ শতাংশেরও নিচে।’

তার মতে, শহরাঞ্চলে অভিভাবকরা তুলনামূলকভাবে বেশি সচেতন এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর একাডেমিক ব্যবস্থাপনাও বেশি সুশৃঙ্খল। প্রতিষ্ঠান ও অঞ্চলভেদে ফলাফলের ব্যবধানে এসব বিষয়ও প্রভাব ফেলছে।

১১টি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। আর সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে, ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। অন্যান্য বোর্ডের মধ্যে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ, সিলেটে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, কুমিল্লায় ৪৮ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ, দিনাজপুরে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, রাজশাহীতে ৪৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ এবং যশোরে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ। এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৬১ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘এবারের ফল সন্তোষজনক নয়। গতবারের তুলনায় পাসের হার আরো কমে যাওয়াও গ্রহণযোগ্য নয়। শিখনপদ্ধতি ও শিক্ষার্থীদের শেখার ক্ষেত্রে যে ঘাটতি রয়েছে, এবারের ফলে তা প্রতিফলিত হয়েছে।’ এসব ঘাটতি চিহ্নিত করে আগামী দিনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, ‘গত এসএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের পর নতুন করে ৩ হাজার ৭৯ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল। এবারো ফল পুনর্নিরীক্ষণ করা হবে। কোনো শিক্ষার্থী যেন অবমূল্যায়িত না হয়, সেদিকে লক্ষ রেখেই আমরা কাজ করব।’

এবার এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ পরীক্ষার্থী। এসব শিক্ষার্থী এক মাসের মধ্যে শুধু ফেল করা বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সময় ও মূল্যবান শিক্ষাজীবন রক্ষার্থে এবার একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এক বা দুই বিষয়ে অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে যেন পুরো একটি বছর ঝরে না যায়, সেজন্য খুব দ্রুততম সময়ে, সম্ভব হলে এক মাসের মধ্যেই পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীরা কোনো দীর্ঘসূত্রতা ছাড়াই পরবর্তী উচ্চ শিক্ষার ধারায় যুক্ত হতে পারবে।’

বর্তমান নিয়মে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে তাকে পরের বছর আবার পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বিভাগভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাসের হারে সবচেয়ে এগিয়ে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ বিভাগে ৭৩ দশমিক ১২ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। বিপরীতে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে মানবিক বিভাগ। সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী এ বিভাগ থেকে অংশ নিলেও অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। মানবিক বিভাগে গড় পাসের হার ৪২ দশমিক ১৭ শতাংশ। এছাড়া ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৫০ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম বলেন, ‘দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিন ধরেই বড় ধরনের সংকট রয়েছে। বিশেষ করে বিগত সরকারের সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিকীকরণ, দলীয়করণ ও অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগের কারণে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। খারাপ ফলের দায় শুধু প্রতিষ্ঠান বা ব্যবস্থাপনার নয়; বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও তুলনামূলকভাবে পড়াশোনায় অমনোযোগিতা বেড়েছে।’

চলতি বছরের ফলাফলে শিক্ষার প্রকৃত চিত্র ফুটে উঠেছে মন্তব্য করে তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অটোপাস দেয়া হয়েছে এবং সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিক্ষকদের নম্বর বাড়িয়ে দেয়ার যে বিভিন্ন নির্দেশনা দেয়া হতো, সেগুলোও ছিল ক্ষতিকর। বর্তমান সরকার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক—এ দুটি পাবলিক পরীক্ষা আয়োজন এবং খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার চেষ্টা করেছে। এবারের ফলাফল শিক্ষার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে সহায়তা করবে। এখন সরকার ও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব হলো এ ফলাফল বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থার সংকটগুলো চিহ্নিত করা এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া।’

মানবিক বিভাগের ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ছাত্রীদের তুলনায় ছাত্রদের ফল বেশি খারাপ। এ বিভাগ থেকে মোট ৬ লাখ ৭ হাজার ৭৩৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে ছাত্র ছিলেন ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩২ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন মাত্র ৯০ হাজার ৬৬৪ জন, যা মোট ছাত্র পরীক্ষার্থীর ৩৫ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। অন্যদিকে মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৮০৩ ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৪৭ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

এ বছরও পাসের হারে এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রীরা। তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে ছাত্ররা। এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ ছাত্রী পাস করেছেন, পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ। অন্যদিকে ছাত্র পাস করেছেন ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭, পাসের হার ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এবার মোট জিপিএ ৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৩৬৩ জন এবং ছাত্রী ১৯ হাজার ৭২১ জন।