নুরপুর গ্রামের ৬০ বছর বয়সী কৃষক রহমান প্রায় ৩০ বছর ধরে পান চাষ করছেন। দীর্ঘ এ সময়ে পানের বাজারে নানা পরিবর্তন দেখেছেন তিনি। একসময় তিন বিঘা জমিতে পানবরজ থাকলেও বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১২ কাঠায়। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া এবং ন্যায্যদাম না পাওয়ায় ধীরে ধীরে আবাদ কমাতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।
রহমান জানান, আগে যে পান প্রতি পন (৮০টি) ১১০ টাকায় বিক্রি করতেন, বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়। অথচ পান উৎপাদনের প্রয়োজনীয় উপকরণের দাম আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। খরচ বাড়লেও বিক্রয় মূল্য যাওয়ায় পান চাষ করে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও শ্রম দিয়ে গড়ে তোলা বরজ ধরে রাখতেও এখন হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে।
একই গ্রামের পানচাষী রফিকের সংকট আরো বহুমুখী। পানের দাম কমার পাশাপাশি দেখা দিয়েছে ক্রেতার অভাব। গত বছর যে মোটা পান প্রতি পোয়া ১৪০ টাকায় বিক্রি করেছিলেন, এবার তা বিক্রি করতে হচ্ছে ৯০-১০০ টাকায়। অর্থাৎ একই পরিমাণ পান বিক্রি করে আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম অর্থ পাচ্ছেন তিনি।










