সারা দেশেই বেশকিছুদিন ধরে ভোজ্যতেলের দাম নিয়ে অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছিল। এমন অবস্থায় দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে তেলের ওপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহার করে নেয় সরকার। ফলে তিনদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে খোলা সয়াবিন তেলের দাম কেজি প্রতি ১০ থেকে ১২ টাকা করে কমেছে। এতে করে নিম্ন আয়ের মানুষে ভোগান্তি কিছুটা কমেছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠি তেলের মূল্য আরো কমানোর দাবি করেছে। সরবরাহ ধারাবাহিক থাকলে দাম আরো কমতে পারে; আশা ব্যবসায়ীদের।
আজ শনিবার হিলির বাজার ঘুরে খোলা সয়াবিন তেল ১০ থেকে বারো টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। আগের চেয়ে তুলনামূলক কম সরবরাহ থাকলেও তেলের দোকানগুলোতে বিক্রি বেড়েছে। দোকানিরা বলছেন, খোলা তেলের সরবরাহ ধারাবাহিকতার মধ্যে থাকায় দাম কমতে শুরু করেছে। আগে দোকান ভেদে ১৭৮ থেকে ১৮০ খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হতো। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ১৬৬ থেকে ১৬৮ টাকায়। বোতলজাত তেল আগের মূল্য ১৬৮ টাকা লিটার বিক্রি হচ্ছে।
হিলি বাজারে বিক্রেতারা তেলের মূল্য আরো কমতে পারে বলে আশা করছেন। কয়েকদিনের মধ্যে খোলা সয়াবিন তেল ১৩৫ টাকায় বিক্রি হতে পারে বলেও জানান তারা। তবে, বোতলজাত তেলের মূল্য কমার ব্যাপারে কিছু বলতে পারেননি ব্যবসায়িরা।
স্থানীয় বিক্রেতারা জানান, মোকামে সরবরাহ নিয়মমাফিক না হওয়ায় তারা চাহিদা অনুসারে সয়াবিন তেল পাচ্ছিলেন না। সরকার ভ্যাট প্রত্যাহার করায় মোকামে তেলের সরবরাহ বেড়েছে, তাই দাম কমছে।
জানা গেছে, তেলের দাম কমায় খুশি নিম্ন আয়ের মানুষ। কয়েকদিন আগেও যাদের তেল কিনতে হিমশিম খেতে হতো, তারা চাহিদা অনুযায়ী তেল কিনছেন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠির জন্যও তেল ক্রয় কিছুটা সহজ হয়েছে। তবে, আরো দাম কমানোর দাবি করেছেন তারা।
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নূর-এ আলম জানান, তারা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছেন। যারা তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করেন, সে সমস্ত দোকানে গিয়ে মজুদ পরীক্ষা করা হচ্ছে। কোনো ব্যবসায়ী যাতে অতিরিক্ত মুল্যে পণ্য বিক্রি না করেন, তা নিশ্চিতে কাজ করা হচ্ছে।
ইউএনও বলেন, আমরা সবাইকে সতর্ক করছি। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মুল্য নিয়ে কেউ যদি অহেতুক লাভের আশায় কোনো ধরনের কারসাজি করতে চায়; তার বিরুদ্ধে যথাযথ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনদিনের ব্যবধানে হিলিতে দাম কমেছে ভোজ্যতেলের
সারা দেশেই বেশকিছুদিন ধরে ভোজ্যতেলের দাম নিয়ে অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছিল। এমন অবস্থায় দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে তেলের ওপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহার করে নেয় সরকার। ফলে তিনদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে খোলা সয়াবিন তেলের দাম কেজি প্রতি ১০ থেকে ১২ টাকা করে কমেছে। এতে করে নিম্ন আয়ের মানুষে ভোগান্তি কিছুটা কমেছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠি তেলের মূল্য আরো কমানোর দাবি করেছে। সরবরাহ ধারাবাহিক থাকলে দাম আরো কমতে পারে; আশা ব্যবসায়ীদের।










