খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, আমাদের খাদ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি জাপানের বাজারে আমাদের খাদ্য সামগ্রী রফতানির উদ্যোগ নেয়া হবে। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি এখন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। আমরা যদি আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে পরি তাহলে খাদ্য রফতানি আমাদের জন্য সহজ হবে। আর এ কাজটিই আমাদের করতে হবে।
রোববার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে খাদ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রধান প্রতিনিধি ইচিগুছি তমুহিদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেন। এ সময় খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের খাদ্য রফতানির অনেক সুযোগ রয়েছে। বিশ্ব বাজারে এসব খাবারের চাহিদাও আছে। এখন দরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ। আর সেই চেষ্টাই আমরা করব। এজন্য আমাদের অনেক কাজ করতে হবে।
বৈঠকে বাংলাদেশে জাইকার অর্থায়নে পরিচালিত ‘ফুড সেফটি টেস্টিং ক্যাপাসিটি ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়াও জাপান ও আসিয়ান অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মতো একক এবং সুবিন্যস্ত খাদ্য ব্যবসা লাইসেন্স ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়। ভারত ও পাকিস্তান এরইমধ্যে খাদ্য ব্যবসার লাইসেন্স ওয়ান স্টেপ সার্ভিসের মাধ্যমে দেয়া শুরু করেছে বলে জানায় জাইকা।
বৈঠকে আরো জানানো হয়, জাইকার অর্থায়নে দশ বছর মেয়াদি ২ হাজার ৪০৯ কোটি ৭০ লাখ টাকার ‘ফুড সেফটি টেস্টিং ক্যাপাসিটি ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট’ এর আওতায় ঢাকায় একটি ফুড সেফটি রেফারেন্স ল্যাবরেটরি, চট্টগ্রাম ও খুলনায় দুইটি খাদ্য পরীক্ষাগার, প্রশিক্ষণ ভবণ নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় সক্ষমতা উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের খাদ্য নিরাপত্তা পরীক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।
খাদ্যমন্ত্রী জনগণের নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণে খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, সরবরাহ, বিপণন ও বিক্রয় সংশ্লিষ্ট সব পর্যায়ে খাদ্যকে জনগণের জন্য নিরাপদ করতে সমস্যাবলি ও চ্যালেঞ্জসমূহ চিহ্নিত করে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানান।
বৈঠকে জাইকার উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা এবং খাদ্য সচিব মো. ফিরোজ সরকারসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।










