বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার রাজাপুর এলাকায় আমিনুল ইসলাম মোল্লা নামের এক ব্যবসায়ীকে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ঈদুল আজহার ছুটিতে ঢাকা থেকে বাড়িতে এসে পাওনা টাকা চাইতে গেলে মামলায় জড়ানো হয় তাকে। মামলার প্রতিবাদে ও তার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।
ব্যবসায়ী আমিনুল মোল্লার স্ত্রী তানিয়া বেগম বলেন, আমরা ঢাকায় ব্যবসা করি। ২০১৯ সালে তিন বিঘা জমি বন্ধক দেয়ার কথা বলে শাফিয়া আক্তার দুলালী নামে এলাকার এক নারী স্টাম্পে চুক্তির মাধ্যমে আমাদের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা নেন। কিন্তু জমি না দেয়ায় আমরা টাকা ফেরত চাই। সম্প্রতি রাজাপুর বাজারে অনেক লোকজনের উপস্থিতিতে টাকা ফেরত চাওয়া হয়। এ সময় তারা আমাদের গালিগালাজ করেন। ওইদিন রাতেই শাফিয়া আমার স্বামীর নামে তার মেয়েকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ এনে মামলা করেন। ওই মামলায় আমার স্বামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ জেলহাজতে পাঠিয়েছে। মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমাদের টাকা ফেরত না দেয়ার জন্যই এ ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জড়ানো হয়েছে আমার স্বামীকে। আমি অবিলম্বে এ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।
রাজাপুর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাজ্জাক তালুকদার বলেন, এ মামলায় আমাকে দুই নম্বর সাক্ষী করা হয়েছে। কিন্তু এ মামলা বা ঘটনার বিষয়ে আমি আদৌ কিছু জানি না।
শাফিয়া আক্তার দুলালীর ভাই আজিজ মোল্লা, আব্দুস সালাম ও রশীদ মোল্লা বলেন, শাফিয়া আমাদের বোন হলেও মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।
মামলার বাদী শাফিয়া আক্তার দুলালী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা আমিনুলের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলাম। সেই টাকা ফেরতও দিয়েছি।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক বলেন, নিরাপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য মামলাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।










