বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের হাড়বাড়িয়া এলাকায় ডুবে যাওয়া কয়লাবাহী বাল্কহেডের নিখোঁজ আরো একজনের মরদেহ পাওয়া গেছে। গতকাল দুপুরে হাড়বাড়িয়া থেকে ভাটার সময় নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে ডুবে যাওয়া বাল্কহেড এমভি ফারদিন-১-এর নিখোঁজ পাঁচজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হলো। ১৫ নভেম্বর রাতে ডুবে যাওয়া বাল্কহেডের এখনো দুজন নিখোঁজ।

গতকাল উদ্ধার হওয়া মরদেহটি ওই বাল্কহেডের স্টাফ রবিউল ইসলামের। তার বাড়ি পিরোজপুরের স্বরূপকাঠী এলাকায় বলে জানা গেছে।  এর আগে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুকানি মহিউদ্দিন ও গ্রিজার নুর ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বাংলাদেশ লঞ্চ লেবার অ্যাসোসিয়েশন মোংলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হাসান বাবুল বলেন, ঘটনার পর থেকে নিখোঁজদের পরিবার দুর্ঘটনাকবলিত এলাকায় খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে গতকাল দুপুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন তারা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। তবে রবিউলের বাবা বল্কহেডের মাস্টার মো. মহিউদ্দীন (৬০) ও পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার জিহাদ ওরফে জিসান এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, জেলেদের মাধ্যমে খবর পেয়ে একটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ডুবে যাওয়া বাল্কহেড থেকে বেঁচে ফেরা শ্রমিকরা মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।