সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকা কানাইঘাটের চাঞ্চল্যকর ফরিদ উদ্দিন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে র্যাব-৯। এ ঘটনায় জড়িত ইউপি সদস্যসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য নাজিম উদ্দিন, কাওছার আহমদ ও মোস্তাক আহমদ। বৃহস্পতিবার রাত থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত সিলেট ও মৌলভীবাজারের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গতকাল দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে র্যাব-৯-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আবদুর রহমান হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের তথ্য জানান।
তিনি জানান, সোমবার বিকালে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের বড়খেওড় এলাকায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে ফরিদ উদ্দিনকে হত্যা করা হয়। খুনিরা ফরিদ উদ্দিনের একটি পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এ ঘটনায় নিহত ফরিদ উদ্দিনের বাবা মো. রফিকুল হক কানাইঘাট থানায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে বুধবার একটি হত্যা মামলা করেন।
র্যাব-৯ অধিনায়ক বলেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে গতকাল ভোর ৫টা পর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলার শেরপুর থেকে অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী নাজিম উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেয়া তথ্যে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাওছার আহমদকে সিলেটে দক্ষিণ সুরমা ও মোস্তাক আহমদকে সিলেট নগরীর বন্দরবাজার থেকে গ্রেফতার করা হয়। নিহত ফরিদ ও গ্রেফতারকৃত তিনজন একই এলাকার বাসিন্দা এবং পরস্পর আত্মীয়। এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। এ নিয়ে আগেও উভয় পক্ষের মধ্যে মামলা-হামলার ঘটনা ঘটেছে।
তিনি বলেন, নাজিম উদ্দিন ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তাদের বিরোধ ফের চাঙা হয়ে ওঠে। নাজিম ও তার অনুসারীরা ফরিদকে নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিতে থাকে। ঘটনার দুদিন আগে এ নিয়ে ফরিদ তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। যেখানে নাজিমের ভাই এনাম কমেন্ট করে ফরিদকে শায়েস্তা করার হুমকি দেন।










