সেন্ট মার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপে পলিথিন ও ওয়ানটাইম প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোর লক্ষ্যে পর্যটকবাহী জাহাজে কঠোরভাবে নজরদারি করছে পরিবেশ অধিদপ্তর। খবর বাসস।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, আজ সকাল ১০টার দিকে প্রথমদিনে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ার বিআইডব্লিউটি ঘাট থেকে ৬৫৩ জন যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যায় এমভি বার আউলিয়া নামক একটি জাহাজটি। এ জাহাজের যাত্রীরা যাতে কোনভাবে পলিথিন ও ওয়ানটাইম প্লাস্টিক পরিবহন করতে না পারে তার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সকাল থেকে অবস্থান নিয়েছেন ঘাটে। পলিথিন ও ওয়ানটাইম প্লাস্টিকের কোনো পণ্য রয়েছে কিনা তল্লাশি করছেন তারা। যাদের কাছে পলিথিন পাওয়া যাচ্ছে তা ফেলে দিয়ে বিকল্প হিসেবে তাদেরকে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে পাটের তৈরি ব্যাগ দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি জাহাজে তদারকি করছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. জমির উদ্দিন বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপে পলিথিন ও ওয়ানটাইম প্লাস্টিক কমানোর লক্ষ্যে ১০টি টিম গঠন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। তারা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ মনিটরিং, স্ক্যানিং ও যাবতীয় অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ১০জন কর্মকর্তার নেতৃত্বে এ ১০টি টিম গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তরের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটও সঙ্গে রয়েছেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৮ নভেম্বর পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদ স্বাক্ষরিত লিখিত এক অফিস আদেশে এ টিমগুলো গঠন করা হয়।










