দেশের দুই জেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষক ও শিশুসহ মোট আটজন নিহত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় জামালপুরের মেলান্দহ, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ও সাতকানিয়ায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে জামালপুরেই ট্রাকচাপায় একই পরিবারের তিনজনসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অটোরিকশাযাত্রীসহ আরো অনেকে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর—

জামালপুর: জেলার মেলান্দহে ট্রাকচাপায় অটোরিকশায় থাকা একই পরিবারের তিনজনসহ মোট চারজন নিহত হয়েছেন। এতে অটোরিকশাচালক ও এক যাত্রী গুরুতর আহত হন। গতকাল সকাল ১০টার দিকে জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের বুরুঙ্গা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন ইসলামপুর উপজেলার ইন্দুল্লামারি এলাকার মোর্শেদ আলম (২৫), তার স্ত্রী ইকরামা (২০) ও তাদের আট মাস বয়সী মেয়ে রিফা এবং মোটরসাইকেল আরোহী শওকত হাসান (৪৫)।

জানা গেছে, মেলান্দহ উপজেলার শিমুলতলী থেকে যাত্রী নিয়ে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা জামালপুরের দিকে যাচ্ছিল। বিপরীত দিক থেকে আসছিল একটি মোটরসাইকেল। বুরুঙ্গা এলাকায় জামালপুরগামী ট্রাকটির সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে চালক শওকত হাসান লিখন ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। এরপর ট্রাকটি অটোরিকশাটিকে পেছন থেকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই মোর্শেদ আলম, তার স্ত্রী ইকরামা ও তাদের শিশুসন্তান রিফা নিহত হন।

পরে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে শওকত মারা যান। মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক জানান, দুর্ঘটনাস্থলেই একই পরিবারের তিনজন মারা যান এবং হাসপাতালে আরো একজনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। "

চট্টগ্রাম: জেলার সীতাকুণ্ডে ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষে ট্রাকচালক ও হেলপার নিহত হয়েছেন। গতকাল সকালে চট্টগ্রামমুখী একটি ট্রাক পন্থিছিলা এলাকা অতিক্রমকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা একটি কাভার্ড ভ্যানকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাকচালক ছালেহ আহম্মেদ সেলিম (৪৬) ও হেলপার মো. সোহরাব (৩৫) মারা যান। এছাড়া কক্সবাজারে শিক্ষা সফরে যাওয়ার পথে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস ডোবায় উল্টে গিয়ে এক মাদরাসাশিক্ষকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। গতকাল ভোর ৪টার দিকে কেরানীহাট রেলক্রসিং-সংলগ্ন খুনি বটতল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।