আকাশপথে গত বছর ১ কোটি ২৬ লাখের বেশি আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহন হয় বাংলাদেশ থেকে। প্রবাসী কর্মীদের যাতায়াত, পর্যটন, বাণিজ্য, শিক্ষাসহ নানা প্রয়োজনে ক্রমেই বড় হচ্ছে এ বাজার। কিন্তু যাত্রীপ্রবাহ বাড়লেও এর অর্থনৈতিক সুফল ঘরে তুলতে পারছে না বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহনের সিংহভাগই নিয়ন্ত্রণ করছে বিদেশী এয়ারলাইনস। ফলে বিপুল অংকের আয় চলে যাচ্ছে দেশের বাইরে। অথচ দেশের জিডিপিতে (মোট দেশজ উৎপাদন) এভিয়েশন খাতের অবদান মাত্র ১ শতাংশ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে চলতি মূল্যে দেশের জিডিপির আকার ৫০১ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার (আইএটিএ) হিসাবে, বাংলাদেশের জিডিপিতে প্রত্যক্ষভাবে ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার অবদান রাখছে এভিয়েশন খাত, যা জিডিপির দশমিক ৫৮ শতাংশ।
অর্থনীতিতে এভিয়েশন খাতের প্রভাব পরিমাপের অন্যতম দুটি সূচক হলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) অবদান। এক্ষেত্রে এয়ারলাইনস, বিমানবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান, বিমানবন্দরের বিভিন্ন ব্যবসা, এয়ার নেভিগেশন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং উড়োজাহাজ নির্মাতাদের সরাসরি অবদান বিবেচনা করা হয়। আইএটিএ ২০২৩ সালের হিসাবে এভিয়েশন খাতের সব ধরনের অবদান বিবেচনায় নিলে জিপিপিতে এ খাতের অবদান দাঁড়ায় ৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার বা ১ দশমিক ২ শতাংশ।
জিডিপিতে অবদান রাখার দিক দিয়ে আঞ্চলিক প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে আছে বাংলাদেশের এভিয়েশন খাত। আইএটিএর হিসাবে শ্রীলংকার জিডিপিতে ২০২৩ সালে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার অবদান রেখেছে এভিয়েশন খাত, যা দেশটির জিডিপির ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। একই বছর ফিলিপাইনের জিডিপিতে ২০ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার বা ৪ দশমিক ৬ শতাংশ, ভিয়েতনামের জিডিপিতে ১৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বা ৪ দশমিক ১ শতাংশ, থাইল্যান্ডের জিডিপিতে ৩৫ দশমিক ১ বিলিয়ন বা ৬ দশমিক ৮ শতাংশ এবং হংকংয়ের জিডিপিতে ৩৭ দশমিক ৭ বিলিয়ন বা ৯ দশমিক ৯ শতাংশ অবদান রেখেছে এভিয়েশন খাত।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, বিশ্বের ১৭৬টি দেশে বর্তমানে এক কোটির বেশি বাংলাদেশী কর্মরত রয়েছেন। তাদের যাতায়াতের পাশাপাশি পর্যটন, বাণিজ্য, শিক্ষাসহ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক রুটে ভ্রমণ করেন বিপুলসংখ্যক যাত্রী। কিন্তু এ বিশাল বাজারের ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশই বিদেশী এয়ারলাইনসের নিয়ন্ত্রণে। ফলে যাত্রী পরিবহন বাবদ আয়ের বড় অংশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বৈদেশিক মুদ্রাও দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক গন্তব্যের সংখ্যার দিক থেকেও আঞ্চলিক প্রতিযোগীদের তুলনায় পিছিয়ে বাংলাদেশ। বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ২৮টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে উড়োজাহাজ চলাচল করছে। বিপরীতে ভিয়েতনামের ৭২, ফিলিপাইনের ৭৪, শ্রীলংকার ৪৫, থাইল্যান্ডের ২২০ ও হংকংয়ের রয়েছে ১৭১টি আন্তর্জাতিক গন্তব্য।
আইএটিএর তথ্যভিত্তিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলাদেশের এভিয়েশন বাজারে বার্ষিক যাত্রী প্রবৃদ্ধি ৮-১০ শতাংশ। বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আগামী দুই দশকে এ খাতের প্রবৃদ্ধি ১৬৮ শতাংশ হতে পারে। ২০৩৮ সালের মধ্যে বছরে যাত্রী প্রস্থানের সংখ্যা আরো ১ কোটি ২১ লাখ বেড়ে তিন কোটিতে পৌঁছার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্প্রসারণের ফলে দেশের জিডিপিতে অতিরিক্ত ২ দশমিক ১ থেকে ৩ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার যুক্ত হতে পারে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে ১ লাখ ৪০ হাজার থেকে ২ লাখ ২২ হাজারের মতো।
এভিয়েশন খাতের অর্থনৈতিক অবদান বাড়াতে শুধু বিমান পরিবহন নয়, পর্যটন ও প্রবাসী যাত্রী পরিবহনসহ সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলোর সঙ্গেও সমন্বয়ের প্রয়োজন বলে মনে করেন বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মাহমুদ হোসেন। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘এভিয়েশন খাতের অর্থনৈতিক অবদান বাড়াতে শুধু বিমান পরিবহনকেন্দ্রিক উদ্যোগ নিলে হবে না। পর্যটন, প্রবাসী যাত্রী পরিবহনসহ সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলোর সঙ্গে সমন্বিত জাতীয় পরিকল্পনা ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল প্রয়োজন। পাশাপাশি বিমান পরিবহন ও এয়ারলাইনসগুলোর পরিচালন সক্ষমতা বাড়াতে হবে। উড়োজাহাজের সংখ্যা বাড়লে ফ্লাইট পরিচালনার পরিধি ও আয় বাড়বে। আকাশসীমা ব্যবহারকারী বিদেশী উড়োজাহাজের কাছ থেকে ওভারফ্লাইট চার্জ আদায় এবং বিদ্যমান ব্যবস্থার উন্নয়ন ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেও রাজস্ব বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।’
তবে উড়োজাহাজ সংগ্রহ ও পরিচালনার ব্যয়, রক্ষণাবেক্ষণ, জ্বালানি এবং নতুন রুট চালুর জন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের ঘাটতি দেশীয় এয়ারলাইনসের সম্প্রসারণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পর্যাপ্ত উড়োজাহাজ ও আর্থিক সক্ষমতা না থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের অংশীদারত্ব বাড়ছে না।
এ প্রসঙ্গে বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘দেশীয় এয়ারলাইনসের সক্ষমতার ঘাটতির কারণে আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহনের বড় অংশ বিদেশী এয়ারলাইনস নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ৫৫টি দেশের সঙ্গে এয়ার সার্ভিস এগ্রিমেন্ট থাকলেও দেশীয় এয়ারলাইনস মাত্র ২০-২১টি দেশে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এ সীমাবদ্ধতা কাটাতে উড়োজাহাজের বহর বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইউএস-বাংলা আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বহরে আরো ২১টি উড়োজাহাজ যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি নতুন গন্তব্যে ফ্লাইট সম্প্রসারণ এবং দক্ষ পাইলট ও প্রকৌশলী তৈরিতেও বিনিয়োগ করা হচ্ছে।’
দেশীয় এয়ারলাইনসের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহনে তাদের বাজার অংশীদারত্ব ৫০ শতাংশের কাছাকাছি উন্নীত করার সুযোগ রয়েছে বলে জানান কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এতে বিদেশী মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যাওয়ার প্রবণতা কমার পাশাপাশি বিদেশী বাজার থেকেও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ তৈরি হবে। কর্মসংস্থান বাড়বে এবং জিডিপিতে এভিয়েশন খাতের অবদানও সম্প্রসারিত হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে দেশীয় এয়ারলাইনসের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে বিমানবন্দর ও রুট ব্যবহারের চার্জ আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা প্রয়োজন।’
আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহনে দেশীয় এয়ারলাইনসের বাজার অংশীদারত্ব ক্রমাগত কমছে। ১৯৯০ সালে দেশের আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহনের প্রায় ৫৯ শতাংশ ছিল দেশীয় এয়ারলাইনসের দখলে। তিন দশকের ব্যবধানে তা কমে বর্তমানে ২৫ শতাংশে নেমেছে। অথচ একই সময়ে আন্তর্জাতিক যাত্রীবাজারের আকার বেড়েছে বহু গুণ।
এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ উইং কমান্ডার (অব.) এটিএম নজরুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘দেশের আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহনে নিজস্ব এয়ারলাইনসের অংশ কমতে কমতে বর্তমানে ২৫ শতাংশে নেমেছে। অথচ একই সময়ে বাজারের আকার অনেক বড় হয়েছে। ইথিওপিয়ান, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের এয়ারলাইনস কিংবা ভারতের দিকে তাকালে দেখা যায়, এসব দেশের নিজস্ব এয়ারলাইনস আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহনে ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত অংশীদারত্ব ধরে রেখেছে। তাই আগামী ১০ বছরে আমাদেরও এ অংশীদারত্ব ৪০ থেকে ৫০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নেয়া প্রয়োজন।’
এ লক্ষ্য অর্জনে শুধু উড়োজাহাজের সংখ্যা বাড়ালেই হবে না বলে তিনি জানান। তারা মতে, এজন্য বিমানবন্দর ও টার্মিনালের সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সম্প্রসারণ, আধুনিক সিমুলেটর স্থাপন এবং হোটেল-মোটেল ও পর্যটন খাতের সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।
এভিয়েশন খাতের বিকাশে নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গির সীমাবদ্ধতাকেও বড় বাধা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। খাতটিকে পূর্ণাঙ্গ শিল্প হিসেবে বিবেচনা না করে এতদিন মূলত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকেন্দ্রিক আলোচনা ও পরিকল্পনা হয়েছে বলে মনে করেন এয়ারএশিয়া ও কুয়েত এয়ারলাইনসের জেনারেল সেলস এজেন্ট প্রতিষ্ঠান টোটাল এয়ার সার্ভিসেস লিমিটেডের (টাস গ্রুপ) চেয়ারম্যান কেএম মজিবুল হক। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘এতদিন এ খাতের আলোচনা মূলত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে কেন্দ্র করে হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা কিংবা ঋণ ও বকেয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে, কিন্তু পুরো এভিয়েশন শিল্পের উন্নয়নে সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেয়া হয়নি। এ কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের বড় অংশ বিদেশী এয়ারলাইনস নিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের এভিয়েশন সক্ষমতাও বাড়ানো হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘দেশের এভিয়েশন বাজারে যাত্রীসংখ্যা ২ কোটি ৫০ লাখে উন্নীত করার সুযোগ রয়েছে। এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে শুধু একটি এয়ারলাইনসকে কেন্দ্র করে চিন্তা না করে পুরো শিল্পের সক্ষমতা, বাজার সম্প্রসারণ ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে।’
দেশের এভিয়েশন খাতের উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে গতকাল একাধিকবার ফোন করে ও ক্ষুদে বার্তায় প্রশ্ন পাঠিয়েও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে গত শুক্রবার বাংলাদেশে ইউনিভার্সাল সিকিউরিটি অডিট প্রোগ্রাম—কন্টিনিউয়াস মনিটরিং অ্যাপ্রোচ অডিট-পরবর্তী এক অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বিমান নিরাপত্তার মানদণ্ড পূরণ করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহ, আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ, ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট চালু এবং এভিয়েশন হাব হিসেবে ঢাকাকে গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা অপরিহার্য।’ এ অডিটে ‘বাংলাদেশ বিমান নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি’র বিষয়টি প্রশংসিত হয়েছে বলে বেবিচকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এদিকে অবকাঠামোর পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বাড়ায় বিভিন্ন অ্যারোনটিক্যাল চার্জ পুনর্নির্ধারণের পরিকল্পনা করছে বেবিচক। সংস্থাটির প্রস্তাবিত কাঠামোয় উড়োজাহাজের ল্যান্ডিং চার্জ ও প্যাসেঞ্জার বোর্ডিং ব্রিজ ব্যবহারের ফি ২৫ শতাংশ এবং রুট নেভিগেশন চার্জ ১০ শতাংশ বাড়ানোর কথা রয়েছে। বিদেশগামী যাত্রীদের এমবার্কেশন ফি ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬ ডলার এবং অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের ক্ষেত্রে ২৫ থেকে ১০০ টাকা করার প্রস্তাবও রয়েছে। এগুলো কার্যকর হলে এয়ারলাইনসের পরিচালন ব্যয় ও যাত্রীদের ভ্রমণ খরচ বাড়বে।
তবে চার্জ বাড়ানোর বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বেবিচকের সদস্য (অর্থ) মোহাম্মদ নাজমুল হক। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘চার্জ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। সর্বশেষ ২০১৩ সালে কিছু চার্জ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছিল। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বাড়বে। তখন সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে।’










