রাঙ্গামাটির সাজেক থেকে বান্দরবানের থানচি পর্যন্ত ৩০০ কিলোমিটার পাহাড়ি পথে তিন দিনব্যাপী ‘বঙ্গবন্ধু
ট্যুর ডি সিএইচটি বাইক মাউন্টেন প্রতিযোগিতা’ শেষ হবে আজ। বান্দরবান স্টেডিয়াম থেকে থানচি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ পর্যন্ত শেষ দিন ৮০ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে শেষ হবে তিনদিনের এ আনুষ্ঠানিকতা। এর আগে গত দুইদিনে সাজেক থেকে রাঙ্গামাটি পর্যন্ত ১৩০ কিলোমিটার ও রাঙ্গামাটি থেকে বান্দরবান পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ সাইক্লিং করে পাড়ি দিয়েছেন সাইক্লিস্টরা।
গতকাল সকাল ৮টায় রাঙ্গামাটি চিংহ্লামং চৌধুরী মারী স্টেডিয়ামে বান্দরবানের উদ্দেশে দ্বিতীয় দিনের ৯০ কিলোমিটারের যাত্রার শুভারম্ভ হয়। যাত্রা শুভারম্ভের আনুষ্ঠানিকতায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. নূরুল আলম নিজামীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সফিকুল আহম্মদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ, জেলা পুলিশ সুপার মীর মোদ্দাছছের হোসেন।
এ সময় সচিব বলেন, বঙ্গবন্ধু ট্যুর ডি সিএইচটি মাউন্টেন বাইক প্রতিযোগিতা এ ধরনের বৃহত্তর পরিসরে আয়োজন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে লেখাপড়ার পাশাপাশি উত্সাহিত ও অনুপ্রাণিত করা এ প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য।
গত সোমবার সকালে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকের রুইলুই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তিনদিনের মাউন্টেন বাইক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ। আজ বেলা ৩টায় থানচি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং।
আয়োজকরা জানান, ১০০ সাইক্লিস্ট তিনদিনে ৩০০ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ পাড়ি দেয়ার পর শেষদিন সমাপনী অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়নকে ৩ লাখ, প্রথম রানারআপকে ২ লাখ, দ্বিতীয় রানারআপকে ১ লাখ টাকা এবং বিশেষ পুরস্কার হিসেবে দেড় লাখ টাকা দেয়া হবে। এছাড়া সফল প্রতিযোগীদের সনদ, মেডেল, ক্রেস্ট প্রদান করা হবে। এ আয়োজনে তিন পার্বত্য জেলা থেকে ৪৫ জন এবং দেশের অন্যান্য জেলা থেকে ৫৫ জনসহ মোট ১০০ জন ক্রীড়াপ্রেমী সাইক্লিস্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।










