বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের সীমানা পিলারগুলোতে দুদেশের সার্ভেয়ার দল যৌথভাবে পরিদর্শন করেছে। ভেঙ্গে যাওয়া, নষ্ট হয়ে যাওয়া কিংবা চুরি হয়ে যাওয়ায় নতুন করে নির্মাণের লক্ষ্যে এসব সীমানা পিলারগুলো পরিদর্শন করা হয়। আজ শনিবার বেলা সোয়া ১১টায় বাংলাদেশের একটি সার্ভেয়ার দল হিলি সীমান্তের শূন্যরেখায় আসলে ভারতীয় একটি সার্ভেয়ার দল তাদের শুভেচ্ছা জানায়।
সীমান্তের ভারত অংশে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) উপস্থিতিতে বৈঠক করেন সার্ভেয়ার দলের সদস্যরা। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলাদেশ ভূমি জরিপ ও রেকর্ড অধিদপ্তর ঢাকার সার্ভেয়ার আশরাফুল হোসেনের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। ভারতের পক্ষে ছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ কলকাতার সার্ভেয়ার খুদিরাম সরকারের নেতৃত্বে দুই সদস্যের দল।
এসময় সেখানে বিজিবির হিলি সিপি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার মোকলেছুর রহমান ও ভারতের হিলি বিএসএফ ক্যাম্প কমান্ডার ভারত ভূষন উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে তারা বিজিবি ও বিএসএফসহ হিলি সীমান্তের ২৮৫নং মেইন পিলারের ১১ নং সাব পিলার সংলগ্ন চেকপোষ্ট গেট থেকে শুরু করে পার্শ্ববর্তী ১২ ও ১৩ নং সাবপিলার এলাকার সীমানা পিলারগুলো যৌথভাবে পরিদর্শন করেন। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত তাদের এই পরিদর্শন কার্যক্রম চলে।
সার্ভেয়ার আশরাফুল হোসেন বলেন, ২০২১-২২ মাঠ মৌসুমের বাংলাদেশ-ভারত যৌথ সীমানা নির্ধারণের কাজ চলছে। সেই কাজের অংশ হিসেবে হিলি সীমান্তে সীমানা পিলারের কাজ করা হবে। সীমান্তের যেসব সীমানা পিলার কোনো কারণে ভেঙ্গে গিয়েছে, নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা চুরি হয়েছে এমন সীমানা পিলারগুলো নতুন করে নির্মাণ করা হবে। এরই মধ্যেই আমাদের ঠিকাদার নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। তাদেরকে এগুলো দেখিয়ে দেয়ার জন্যই আজকের এ যৌথ পরিদর্শন। ঠিকাদার ঈদের পরে এগুলো নির্মাণের কাজ শুরু করবে। এসময় আমরা যৌথভাবে জরিপ করে পয়েন্ট দেখিয়ে দিব, তারা পিলার নির্মাণ করবে। এর আগেও আমরা কাজ করেছি। সেসময় যেগুলো ছাড়া পড়েছে সেগুলোই এবছর করা হবে।










