তামাক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংশোধিত অধ্যাদেশ দ্রুত আইন হিসেবে পাস করার দাবিতে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় ২০ হাজার নাগরিক সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী, আইন মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ আবেদনপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে।
আবেদনপত্রে বলা হয়েছে, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংশোধিত অধ্যাদেশ ২০২৫ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে আইন হিসেবে পাস করা জরুরি। তা না হলে অধ্যাদেশটি বাতিল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
চিকিৎসক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, যুবক, নারী, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার নাগরিকদের পক্ষ থেকে তামাকবিরোধী কয়েকটি সংগঠন যৌথভাবে এ আবেদনপত্র জমা দেয়। সংগঠনগুলো হলো ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন, ডর্প, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, নারী মৈত্রী, প্রজ্ঞা, পিপিআরসি এবং তামাকবিরোধী নারী জোট।
আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে ক্যানসার, হৃদরোগ ও ফুসফুসের রোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ তামাক ব্যবহার। তামাকজনিত বিভিন্ন রোগে দেশে প্রতি বছর প্রায় দুই লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনকে সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করতে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করা হয়েছে বলেও আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়।
তামাকবিরোধী সংগঠনগুলোর মতে, শিশু, নারী এবং তরুণ প্রজন্মকে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা দিতে এ অধ্যাদেশ দ্রুত আইন হিসেবে পাস করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্যও এ উদ্যোগ জরুরি বলে তারা মনে করেন।
এ লক্ষ্য পূরণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।










