চণ্ডীপাঠ, মঙ্গলঘট স্থাপন এবং ঢাক-কাঁসা ও শঙ্খের ধ্বনিতে দেবী দুর্গাকে মর্ত্যে আসার আহ্বান জানানোর মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো মহালয়া। এর মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটল পিতৃপক্ষের এবং সূচনা হলো দেবীপক্ষের। একই সঙ্গে শুরু হয়ে গেল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজার আনুষ্ঠানিক ক্ষণগণনা।
মহালয়া উপলক্ষে গতকাল ভোরে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দেবীপক্ষের এ সূচনালগ্নের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাধেসহ অনেকে।
ভোর ৬টায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে চণ্ডীপাঠের মাধ্যমে মহালয়ার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তির উদ্দেশে তিল-তর্পণ এবং সকাল ৯টায় বিশেষ প্রার্থনা ও মহালয়ার ঘট স্থাপন করা হয়।
পূজা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবার সারা দেশে মোট ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে ছয় দিনব্যাপী মূল দুর্গোৎসব এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে তা শেষ হবে।










