বগুড়ায় গ্রেফতারকৃত চার হোমিও ব্যবসায়ীকে দ্বিতীয় দফায় আদালতের মাধ্যমে তিনদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আগের নেওয়া দুদিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল আদালতে গ্রেফতারকৃত চারজনকে প্রেরণ করে ছয়দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালতের বিচারক মো. ওমর ফারুক তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
জেলা পুলিশ বলছে, প্রথম দফায় ২দিন রিমান্ড নিয়ে কোন তথ্য না পাওয়ার কারণে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে গ্রেফতারকৃত চার হোমিও ব্যবসায়ীসহ জেলা শহরের বিভিন্ন আনাচে কানাচে গড়ে ওঠা অবৈধ হোমিও ওষুধ ব্যবসায়ীদের শাস্তি দাবি করেছে বগুড়ার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন। সেই সঙ্গে অ্যালকোহল বিক্রির প্রতি কঠোর বিধি নিষেধ প্রয়োগেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
আজ শনিবার দুপুরে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ জানান, তাদের নিয়ে অভিযান ও জিজ্ঞাসাবাদে আরো কিছু তথ্য পাওয়া যেতে পারে। সে তথ্য পেতেই আবারো তিনদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। গ্রেফতারকৃত চারজন ইচ্ছাকৃত ভাবে তথ্য গোপন করছে। এর আগে তাদের প্রত্যেকের ২ দিনের করে রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ডে নিয়ে বৃহস্পতিবার ৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১ টায় জিজ্ঞাসাদে দেওয়া তথ্য মত জেলা শহরের নাটাইপাড়ায় অভিযান চালিয়ে ১৫’শ লিটার রেক্টিফাইট স্পিরিটসহ বিপুল পরিমানে হোমিওপ্যাথি ওষুধ তৈরীর সরঞ্জাম জব্দ করেছে বগুড়া সদর থানা পুলিশ। তাদের নিয়ে আরো অভিযান চলবে।
বগুড়ায় গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বিষাক্ত মদ পানে জেলা শহরের পুরান বগুড়া, তিনমাথা, ছিলিমপুর, ফুলবাড়ি, কালিতলা, কাটনারপাড়াসহ জেলার শাজাহানপুর উপজেলা, সারিয়াকান্দি উপজেলা ও কাহালু উপজেলা মিলিয়ে ২০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও জেলা পুলিশ বিভাগ থেকে ৮জনের কথা সাংবাদিকদের জানানো হয়।
২ ফেব্রুয়ারি রাতে বগুড়া সদর থানা পুলিশ সদস্যরা অভিযান চালিয়ে বিষাক্ত মদ বিক্রির অভিযোগে গ্রেফতার করে বগুড়া জেলা শহরেরে করতোয়া হোমিও হলের স্বত্বাধিকারী ও নাটাপাড়ার বাসিন্দা শহিদুল আলম সবুর (৫৫), শহরের ফুলবাড়ি মধ্যপাড়ার পারুল হোমিও ল্যাবরেটরিজের স্বত্বাধিকারী মো: নুরুন্নবী (৫৮), শহরের গালাপট্টির মুন হোমিও হলের স্বত্বাধিকারী ও জেলা শহরের ছোটকুমিড়ার বাসিন্দা আব্দুল খালেক (৫৫), গালাপট্টি এলাকার হাসান হোমিও হলের কর্মচারী ও জেলা শহরের আকাশতারা এলাকার বাসিন্দা আবু জুয়েলকে (৩৫)।










