অবশেষে পুনর্গঠন হলো রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান- এই তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন পর্ষদ। আজ বৃহস্পতিবার বিকালে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সজল কান্তি বণিক সাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে নতুন পর্ষদ গঠনের বিষয়ে জানানো হয়।
আদেশে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বিগত পর্ষদের সদস্য ও কাউখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অংসুই প্রু চৌধুরী। এছাড়া নতুন ও পুরনো মুখ মিলিয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আরো ১৪ জন। নতুন পর্ষদে বাদ পড়েছেন পুরনো পর্ষদের ‘হেভিওয়েট’ অনেকেই।
নতুন পর্ষদের সদস্যরা হলেন- জেলার বরকল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সবির কুমার চাকমা, বাঘাইছড়ি উপজেলার প্রিয় নন্দ চাকমা জুরাছড়ি উপজেলার প্রবর্তক চাকমা, নানিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিপন চাকমা, রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বিগত পর্ষদের সদস্য হাজী মো. মুছা মাতব্বর, লংগদু উপজেলা হতে আওয়ামী লীগ নেতা মো. আব্দুর রহিম, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি হিসেবে বাদল চন্দ্র দে, কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরী, দিপ্তীময় তালুকদার, রাজস্থলী উপজেলার নিউচিং মারমা, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী ঝর্ণা খীসা, লংগদু উপজেলা হতে বিগত পর্ষদের সদস্য মৃত মো. জানে আলমের স্ত্রী মোছা. আছমা বেগম, জেলা আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি বিপুল ত্রিপুরা, বিগত পর্ষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা রেমলিয়ানা পাংখোয়া।
প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালে ‘স্থানীয় সরকার পরিষদ’ নামের প্রথম পরিষদের নির্বাচনের পর টানা তিন দশকেও আর কোনো নির্বাচন হয়নি পার্বত্য জেলা পরিষদে। বিগত পর্ষদগুলোতে যখন যে সরকার ক্ষমতাসীন ছিলেন- তাদের দলীয় মনোনীতরাই দায়িত্ব পালন করেছেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান-সদস্য হিসেবে। তবে নারীরা সদস্য হিসেবে জেলা পরিষদের দায়িত্বে এলেও বান্দরবান বাদে এখনো কোনো নারী চেয়ারম্যান পায়নি খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটিবাসী।










