বাগেরহাট-৪ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান শিপন ও জাতীয় পার্টির সাজন কুমার মিস্ত্রীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
তবে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. আমিরুল আলম মিলনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
গত
রোববার বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার মিলনায়তনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুস আলী এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
জানা গেছে, জাতীয় সংসদের বাগেরহাট-৪ আসনটি মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা নিয়ে গঠিত।
একাদশ সংসদ নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. মোজাম্মেল হোসেন বিজয়ী হন।
তবে গত ১০ জানুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করলে আসনটি শূন্য হয়।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২১ মার্চ ভোটের দিন ধার্য করে ৬ ফেব্রুয়ারি এ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।
তফসিল অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ নির্বাচনে প্রার্থী হতে তিনজন মনোনয়নপত্র জমা দেন।
তারা হলেন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন, বিএনপির খায়রুজ্জামান শিপন ও জাতীয় পার্টির সাজন কুমার মিস্ত্রী।
তবে বাকি দুজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করায় এ আসনে অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলনই একমাত্র প্রার্থী হিসেবে উপনির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছেন।
খুলনা বিভাগীয় নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুস আলী বলেন, ঋণখেলাপি হওয়ায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাজন কুমার মিস্ত্রীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
সময়মতো পৌর কর পরিশোধে ব্যর্থতা ও খেলাপি ঋণ থাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান শিপনের মনোনয়নপত্রটিও বাতিল করা হয়েছে।
ফলে এখন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. আমিরুল আলম মিলন একক বৈধ প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় প্রার্থীরা ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশন বরাবর তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে পারবেন।
২৯
ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ আবেদন নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশনেও যদি তাদের প্রার্থিতা বাতিল হয়, তাহলে আগামী ১ মার্চ অ্যাডভোকেট মো. আমিরুল আলম মিলনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।










