দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম জলাধার রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদ। ১৯৬১ সালে খরস্রোতা কর্ণফুলির ওপর বাঁধ দিয়ে গড়ে তোলা হয় কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলি জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। যার ফলে বিশাল এলাকাজুড়ে সৃষ্ট হয় কৃত্রিম হ্রদ। যার আয়তন প্রায় ৬৮ হাজার ৮০০ হেক্টর। এ হ্রদের ‘প্রাণ ও জীববৈচিত্র্য’ নিয়ে গবেষণার জন্য চট্টগ্রাম ভেটেনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) উদ্যোগে নির্মিত করা হয়েছে একটি বিশেষায়িত গবেষণা জাহাজ।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গণভবন থেকে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সিভাসু গবেষণা তরী’র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় তার সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈ সিং উপস্থিত ছিলেন। এদিকে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার, সিভাসু’র উপাচার্য প্রফেসর গৌতম বুদ্ধ দাশ, রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদসহ বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘কাপ্তাই হ্রদে কীভাবে আরও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায়, সে বিষয় নিয়ে আমরা চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়কে দায়িত্ব দিই। তারা হ্রদে মাছের বংশবৃদ্ধি, ডিম সংরক্ষণসহ আরও কীভাবে মংস্য উন্নয়ন করা যায় সে বিষয়ে গবেষণা করবে। এতে এই এলাকার যেমন মৎস্য উন্নয়ন হবে, তেমনি এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।’
সিভাসু সূত্র জানিয়েছে, মালয়েশিয়ায় দেশের কৃত্রিম হ্রদ ‘লেক কেনিয়র’ নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা পরিচালনা করে। পরে তারা ওই হ্রদে বিপন্ন প্রজাতির মাছের অভয়ারণ্য গড়ে তোলে। তাদের সেই হ্রদের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে কাপ্তাই হ্রদে নামানো হয়েছে ভ্রাম্যমাণ ‘সিভাসু গবেষণা তরী’।










