প্রতি বছরই বর্ষায় ডুবে যায় ‘সিম্বল অব রাঙ্গামাটি’ খ্যাত পর্যটন করপোরেশনের ঝুলন্ত ব্রিজটি। বিশ্ব পর্যটন দিবসের সভায় এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাঙ্গামাটির পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। এর পেছনে কর্তৃপক্ষের ‘অপরিকল্পিত’ নির্মাণকে দায়ী করেন তারা। ব্রিজটি সংস্কার ও সারা বছর পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত রাখার জন্য যুগোপযোগী উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বক্তারা।
গতকাল সকালে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মামুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মাহমুদা বেগম, রাঙ্গামাটি পর্যটন কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক সৃজন বিকাশ বড়ুয়া, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বছরের তিন মাসই ঝুলন্ত ব্রিজ পানিতে ডুবে থাকে। কিন্তু দীর্ঘ বছর ধরে এ সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। রাঙ্গামাটির সুবিশাল কাপ্তাই হ্রদকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন বিকাশে সম্ভাবনা থাকলেও সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাব ও সমন্বয়হীনতার কারণে কোনো গুণগত পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে না। একটি সম্ভাবনাময় সেক্টর এভাবে পড়ে থাকলে এর পরিবর্তন আদতে সম্ভব নয়।
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে বর্ণিল নানা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ। এ দিবস ঘিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালা সপ্তাহব্যাপী চলবে। গতকাল সকালে জেলা শহরের বঙ্গবন্ধু মুক্ত মঞ্চ চত্বরে বেলুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা।










