বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে মাছ ধরা ট্রলারডুবির ঘটনায় রুহুল হাওলাদার ও শহিদুল মল্লিক নামের আরো দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল দুপুরে সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে ওই দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেন জেলেরা। এ নিয়ে বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো। এখনো অন্তত আটজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুবলার চরে জেলেরা।
গতকাল উদ্ধার হওয়া মৃত জেলে রুহল হাওলাদার (৪২) বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বগা গ্রামের উকিল উদ্দিনের ছেলে ও শহিদুল মল্লিক (৪০) একই এলাকার সৈয়দ মল্লিকের ছেলে।
শুক্রবার রাতে ট্রলার ডোবার পর শনিবার দুজনের, রোববার রাতে একজনের এবং সোমবার আরো দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেন জেলেরা।
বগা গ্রামের জেলে ও নিহত ইয়াকুব আলীর স্বজন ইব্রাহীম আমানী বলেন, ট্রলারডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত আমাদের গ্রামের চারজনের মরদেহ আমরা পেয়েছি। এছাড়া এখন পর্যন্ত আমাদের গ্রামের আবু বক্কর ও বাবুল হাওলাদার নামের দুই জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। এদের আর ফিরে পাব কিনা জানি না।
সুন্দরবনের দুবলা জেলেপল্লী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রহ্লাদ চন্দ্র রায় বলেন, গতকাল দুপুরে দুবলার চরের অদূরে সাগরে দুই জেলের মরদেহ ভেসে উঠলে অন্য জেলেরা চরে নিয়ে আসেন। এ নিয়ে সাতজনের মরদেহ উদ্ধার হলো। নিখোঁজ অন্য জেলেদের উদ্ধারে বন বিভাগ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা অভিযান চালাচ্ছেন।
শুক্রবার রাতে সাগরে মাছ ধরার সময় আকস্মিক ঝড়ের কবলে পড়ে সুন্দবনের দুবলার শুঁটকিপল্লী ও উপকূলীয় এলাকার অন্তত ২১টি ট্রলার ডুবে যায়। শনিবার সকালে ডুবে যাওয়া ১৬টি ট্রলার ও দেড় শতাধিক জেলেকে সাগর থেকে জীবিত উদ্ধার করেন অন্য জেলেরা।










