সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ ছাত্রাবাস থেকে ৫০ শিক্ষার্থীকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। ছাত্রলীগের দাবি, যাদের বের করে দেয়া হয়েছে, তারা শিবিরের কর্মী। বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার গভীর রাত থেকে টান টান উত্তেজনা চলছে দুই পক্ষের মধ্যে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্রাবাসের ভেতরে
হৈচৈ শুরু হয়। এ সময় ছাত্রাবাসে অবস্থানরত ছাত্রলীগের কর্মীরা স্লোগান দিতে থাকেন। তখন কয়েকজকে লাঠিসোঁটা হাতে দেখা যায়। তারা একদল শিক্ষার্থীকে ধাওয়া করে ছাত্রাবাস থেকে বের করে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। অন্যদিকে রাত পৌনে ১টার দিকে ছাত্রাবাস থেকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মিছিল নিয়ে রিকাবীবাজারের দিকে যেতে দেখা যায়।
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক বলেন, ঐতিহ্য সংস্কৃতি পরিষদ নামে জামায়াত-শিবির নিয়ন্ত্রিত সংগঠনের কর্মীরা ছাত্রাবাসের বি ব্লকে অবস্থান করছিলেন। তিনদিন আগে ওই ব্লকে একটি রামদা পাওয়া যায়। বিষয়টি জানতে চাইলে বুধবার রাতে শিবিরের বহিরাগত নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে হামলা চালান ওই ব্লকের কয়েকজন। পরে তাদের হল থেকে বের করে দেয়া হয়।
সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. শিশির রঞ্জন চক্রবর্তী জানান, বুধবার রাতে শহীদ শামুসদ্দিন ছাত্রাবাসে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ বলেন, ছাত্রাবাসে আসন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে কোন কোন ছাত্র সংগঠন জড়িত, তা প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি। পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।










