স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, স্বাস্থ্য খাতের পুনর্গঠন ও চিকিৎসাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনে সরকার সুনির্দিষ্ট সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণের পাশাপাশি বাজেট বৃদ্ধি করেছে। জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে রোগ প্রতিরোধ, টিকাদান, ডিজিটাল রূপান্তর ও প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
আজ শনিবার রাজশাহীর একটি হোটেলে ইউনিসেফের সহযোগিতায় বিভাগীয় স্বাস্থ্য দফতর আয়োজিত সমন্বিত ইপিআই, এইচপিভি টিকাদান, ই-ট্র্যাকার ও রাজশাহী বিভাগের স্বাস্থ্য কর্মসূচির বিভাগীয় পর্যালোচনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। ইপিআই ও এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখার পাশাপাশি শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে নিয়মিত টিকার আওতায় আনতে হবে।
প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যার আধুনিক হাসপাতালে উন্নীত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে ড. এম এ মুহিত বলেন, স্বাস্থ্যসেবার ডিজিটাল রূপান্তর, আধুনিক প্যাথলজিক্যাল ল্যাব স্থাপন, এনসিডি কর্নার শক্তিশালীকরণ এবং স্বাস্থ্য প্রশাসকদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সেবার মান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে।
প্রান্তিক পর্যায়ে জনবলসংকট নিরসন ও চিকিৎসক পদায়নে আঞ্চলিক সমতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শূন্যপদ পূরণে বিদ্যমান আইনি বাধা নিরসন করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। চিকিৎসকদের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে রোগীদের সেবা দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি স্বাস্থ্য খাতের সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানে গণমাধ্যমকর্মীদের গঠনমূলক সহযোগিতা কামনা করেন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য দফতরের পরিচালক ডা. মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. শফিকুল হক মিলন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসসহ সংশ্লিষ্ট দফতর ও প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এতে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দফতরের কর্মকর্তা, সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। কর্মশালায় স্বাস্থ্য কর্মসূচির অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও সমাধান নিয়ে আলোচনা করা হয়।










