অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি সরকারের একটি বড় কর্মসূচি হলো কর্মসংস্থান গড়ে তোলা। সরকার নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে কাজ করছে। আগামী বাজেটেও কর্মসংস্থান প্রাধান্য পাবে। বিনিয়োগ যদি না হয় তাহলে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এজন্য আমরা দেশী-বিদেশী বিনিয়োগে জোর দিচ্ছি। আমাদের বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এটা করার জন্য যা যা করার দরকার সেটা করা হবে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গার মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন এলাকায় সরকারি হাসপাতালের জন্য জমি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নেও সরকার কাজ করছে। আমরা শিক্ষার পরিবর্তন ঘটাব। আর স্বাস্থ্য খাতে আমূল পরিবর্তনের বিষয়ে নির্বাচনের আগে জাতির কাছে বিএনপি ওয়াদা করেছিল, সেটি পূরণ করা হবে।
বন্দরনগরী সম্পর্কে আমীর খসরু বলেন, মেরিন ড্রাইভে একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হবে। এখানে নার্সিং ইন্সটিটিউট গড়ে তোলা হবে। সেইসঙ্গে টেকনোলজিস্টদের জন্য আরেকটি ইনস্টিটিউট করা হবে। এখানে বাংলাদেশের ঘাটতি রয়েছে। এজন্য আমাদের একটি বড় জায়গা দরকার। কয়েকটি জায়গা আমরা দেখছি। তার মধ্যে মেরিন ড্রাইভের এ জায়গা একটি। কিন্তু কিছু জায়গায় কিছু সমস্যা থাকে। আমরা সবকিছু বিবেচনা করে ভালোটা নেব।
তিনি আরো বলেন, এটি হবে জেনারেল হাসপাতাল, তবে সেখানে বিশেষায়িত কয়েকটি ইউনিট থাকবে। মানুষ আরো সহজে ভালো স্বাস্থ্য সেবা পাবে। আমি চট্টগ্রাম-১১ আসনে ১১ দফা ইশতেহার দিয়েছি যা ১১ তে ১১ নামে পরিচিত। সেগুলো ইনশাল্লাহ করব আমি।
এর আগে চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থানাধীন জেলে পাড়া এলাকায় প্রস্তাবিত সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে নির্ধারিত জমি পরিদর্শন করেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের নিয়ে মন্ত্রী সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকার সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করেন।
বানৌজা উল্কার আবাদ অঞ্চল-২ এর পশ্চিম পার্শ্বে অবস্থিত মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন মুসলিমাবাদ এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধিগ্রহণকৃত জমিতে হাসপাতাল নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে। এদিন অর্থমন্ত্রী নৌবাহিনীর অধিগ্রহণকৃত মোট ১৪ দশমিক ২১৯০ একর এবং অতিরিক্ত ২ দশমিক ৭ একর জমি সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জমির ভৌগলিক অবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, আশপাশের অবকাঠামোগত সুবিধা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন।
পরিদর্শনকালে কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল রিয়ার এডমিরাল মো. মঈনুল হাসান মন্ত্রীকে বিস্তারিত ব্রিফিং দেন। এছাড়া অধিনায়ক বানৌজা উল্কা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সিডিএর প্রতিনিধিরা, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মকর্তারা এবং সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।










