নভেল করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের সংক্রমণ রোধে দিনাজপুরের হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে কোনো বাড়তি ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। করোনার সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ধরন রোধে সেখানে এখনো কোনো নির্দেশনা জারি করা হয়নি। আগের নেয়া পদক্ষেপেই কার্যক্রম চলছে। অনেক যাত্রীকে দেখা গেছে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়া চলাচল করতে। 

আজ মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে হিলি ইমিগ্রেশনের চেকপোস্টে গিয়ে দেখা যায় করোনা সংক্রমণ রোধে স্থাপিত মেডিকেল টিমের সদস্যরা বুথে নেই। এ সময় ভারতে থেকে পাসপোর্টধারী এক বাংলাদেশী যাত্রী আসেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই তিনি ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ করে এক্সপ্রেস ট্রেন ধরার জন্য চেকপোস্ট এলাকা ত্যাগের চেষ্টা করেন। সে সময় মেডিকেল টিমের এক সদস্য ডিউটিতে আসেন। পরে তিনি ওই যাত্রীর কোনো পরীক্ষা না করেই হেলথ কার্ডে সই করেন। স্বয়ং মেডিকেল টিম সদস্যের এহেন কার্যকলাপে উঠেছে প্রশ্ন। করোনার নতুন ধরন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের মেডিকেল টিমের দায়িত্বরত স্বাস্থ্য সহকারী সোহেল রানা বলেন, ওমিক্রন নিয়ে কোনো নির্দেশনা এখন পর্যন্ত আমরা পাইনি। তবে আগের নিয়মেই আমরা ভারত ফেরত যাত্রীদের পরীক্ষা করছি। কারো জ্বর-সর্দি-কাশির নমুনা দেখা দিলে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হচ্ছে। সেখানে কাউকে সন্দেহজনক মনে হলে করোনা টেস্ট করা হচ্ছে। ফলাফল পজিটিভ হলে রোগীকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে।

হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেকেন্দার আলী বলেন, ওমিক্রনের বিষয়ে আমরা এখনো কোনো নির্দেশনা পাইনি। হিলি দিয়ে যেহেতু এখনো বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাত্রী যাওয়া শুরু হয়নি। শুধুমাত্র অনুমোদন সাপেক্ষে ভারত থেকে যাত্রীদের আসা চালু রয়েছে। তাই আগের নিয়মেই ভারত থেকে আসা যাত্রীদের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনা পরীক্ষার সনদ নিয়ে আসতে হবে। ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্ক্যানিং করা হচ্ছে।