জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে যশোরের সীমান্ত দিয়ে অপরাধীরা যেন অবৈধ অস্ত্র নিয়ে আসতে না পারে সেজন্য সীমান্তরক্ষী বাহিনীসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মাদকের ব্যাপারেও জিরো টলারেন্স নীতি নেয়ার কথা বলা হয়েছে।
গতকাল যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় এসব সতর্কতার কথা তুলে ধরেন সদস্যরা। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবরাউল হাসান মজুমদার।
সভায় পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার বলেন, ‘যশোরে ৭৫৬টি মণ্ডপে দুর্গা পূজা উদযাপন হবে। সব মণ্ডপ কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে সিসি ক্যামেরা লাগানোর জন্য। পূজাকে ঘিরে কেউ যাতে অঘটন ঘটাতে না পারে সেজন্য আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।’
সিভিল সার্জন বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস বলেন, ‘যশোরে ডেঙ্গু বাড়ছে। অথচ প্রতিরোধ কার্যক্রম তেমন নেয়া হচ্ছে না। অভয়নগরের প্রেমবাগ এলাকা ডেঙ্গুর বিচরণ ক্ষেত্র। সেখানে ঠিকমতো ওষুধ ছিটানো প্রয়োজন।’
জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, ‘যশোরে বাল্যবিবাহ বন্ধ হচ্ছে না। রেজিস্ট্রি না করিয়ে বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। প্রাপ্ত বয়স হওয়ার পর রেজিস্ট্রি করানো হচ্ছে। এসব কাজে জড়িত কাজিদের শাস্তির আওতায় আনা হলে এটি রোধ করা সম্ভব। যশোরে মাদক বিক্রি বন্ধ হচ্ছে না।’
সভায় আরো বক্তব্য দেন যশোর ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসান জামিল, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এসএম শাহিন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, যশোর র্যাব ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর সাকিব হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ইসহাক, পিপি এম ইদ্রিস আলী, প্রেস ক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন প্রমুখ।










