বগুড়ায় বিএসটিআই এর অনুমোদন না থাকার পরও লোগো লাগিয়ে জুস তৈরি করে বাজারজাত করা ও অনুমোদনবিহীন কীটনাশক বিক্রির দায়ে পৃথক অভিযানে দুই ব্যবসায়ীর ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এটিএম কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে বগুড়া শিল্প এলাকা বিসিকের ভেতরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাথে উপস্থিত ছিলেন বিএসটিআই এর জেলার পরিদর্শক জুনায়েদ আহম্মেদ, বগুড়া পৌরসভার স্বাস্থ্যকর্মকর্তা শাহ আলী, বগুড়া সদর থানার পুলিশসহ অন্যান্য কর্মকর্ত। ভ্রাম্যমাণ আদালত গাবতলী উপজেলার গোলাবাড়ি এলাকার মো. সেলিম রেজার বিসিকের কারখানায় জুস তৈরি করতে দেখেন। সেখানে ‘প্রিয় ড্রিংক’ নাম দিয়ে বিএসটিআই এর সিল ও লোগো লাগিয়ে বাজারজাত করলেও বিএসটিআইয়ের কোন অনুমোদন ছিল না। 

এসময় কারখানা কর্তৃপক্ষ সঠিক কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি। অবৈধভাবে তৈরি ও বিএসটিআইয়ের লোগো ব্যবহারের দায়ে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ১ হাজার বোতল ফ্রুট জুস জব্দ করে। পরে জব্দকৃত জুসগুলো নষ্ট করে দেয়া হয়। 

এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালত বিসিকের ভেতরেই মাহবুব হোসেনের মোসার্স সাথী এগ্রো নামের আরেকটি কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেন। এসয়ম কৃষিকাজের জন্য অনুমোদন না থাকা ও কীটনাশক রিপ্যাকিং করার দায়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করে। 

বগুড়া পৌরসভার স্বাস্থ্যকর্মকর্তা শাহ আলী জানান, ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করে ভ্রাম্যমান আদালত। কারখানা দুটির সঠিক কাগজপত্র এবং অনুমোদন ছিল না।