ধান কাটার মৌসুমের মতো এখন দাবি আদায়ের মৌসুম শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি বলেছেন, ‘প্রত্যেক দাবির একটা আর্থিক সংশ্লেষ আছে। এতে সরকারের ব্যয় বাড়বে। সরকারের রাজস্ব হঠাৎ করে বাড়বে না। ফলে সরকার কীভাবে এসব দাবি স্বল্প সময়ে পূরণ করবে? এসব দাবি পূরণ করতে হলে সরকারের টাকা ছাপাতে হবে। এতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাবে। মূল্যস্ফীতি হলে জনসাধারণ সাফার করবে।’

গতকাল সচিবালয়ের সামনে আন্দোলনরত আনসারদের হামলায় আহত ছাত্র ও অন্যদের দেখতে হাসপাতালে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি বাড়লে বাজারে আলুর দাম ৪০ টাকা থেকে ৮০ টাকা হবে, পটোলের দাম বেড়ে যাবে, তেলের দাম ২০০ টাকা ছোঁবে, পেঁয়াজের দাম ১৫০ টাকা হবে। নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় এলে আমরা আলাপ করতে রাজি। এমন হয়নি যে, কোনো উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করতে তারা ব্যর্থ হয়েছে। এ সরকারের ম্যান্ডেড খুব স্ট্রং। ছাত্র-জনতা রাজপথে রক্ত দিয়ে এ সরকারকে ক্ষমতায় এনেছে, সুতরাং কেউ যাতে মনে না করে যে এ সরকার বানের জলে ভেসে আসা সরকার।’

গত ১৬-১৭ বছরে অপকর্মের ইতিহাসের কথা স্মরণ করে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা ন্যায্য দাবি ও বৈষম্য সম্পর্কে ওয়াকিবহাল, তবে বৈষম্য বিলোপের জন্য আমাদের সময় দিতে হবে। এ সরকার জনপ্রত্যাশার সরকার ও এ প্রত্যাশা পূরণ করতে যত কঠোর ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন সরকার তা নেবে, তবে তার জন্য সময় প্রয়োজন।’

হাসপাতাল পরিদর্শনকালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল উপস্থিত ছিলেন।