সুন্দরবনের দুবলার চরের রুপার খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া মৃত বাঘটির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল বেলা ১১টার দিকে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ অফিসের সামনে এ ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। শরণখোলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তোফাজ্জেল হোসেন ও বন বিভাগের ওয়াইল্ড লাইফের সদস্যরা মৃত বাঘটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। নয় ফুট লম্বা পুরুষ বাঘটির বয়স আনুমানিক ১৫-১৬ বছর।

শরণখোলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তোফাজ্জেল হোসেন জানান, মৃত বাঘটির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। বাঘটির শরীরে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন ছিল না। ধারণা করছি বাঘটি বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যেতে পারে। টেস্টের জন্য ল্যাবে পাঠাতে বাঘের চামড়া, দাঁত, মাংস, হূিপণ্ডের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আলামতগুলো বন বিভাগের ঢাকা ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হবে। ল্যাবের রিপোর্টে বাঘটির মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) সামসুল আরেফিন জানান, শুক্রবার বিকালে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চরসংলগ্ন রুপার খাল থেকে বাঘটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, বার্ধক্যজনিত কারণে বাঘটি মারা যেতে পারে। গতকাল বেলা ১১টার দিকে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে। বাঘটির মরদেহ বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র করমজলে পাঠানো হয়েছে। এটি মাটি চাপা দেয়া হবে না, সংরক্ষণ করা হবে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। 

এর আগে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে এবং ২০২০ সালের মার্চ মাসে দুটি বাঘের মৃতদেহ উদ্ধার করে বন বিভাগ। এসব বাঘ বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছে বলে তদন্ত রিপোর্টে জানা যায়।