বগুড়ায় গ্রীষ্মকালীন ফল তরমুজ এখনো বিক্রি হচ্ছে সিন্ডিকেটের হাত ধরে। সিন্ডিকেট সদস্যরা এবার একাট্টা হয়ে তরমুজের দাম দ্বিগুণ বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তরমুজের দাম দ্বিগুণ হলেও কোনোভাবেই দাম কমছে না তরমুজের। যদিও দক্ষিণ অঞ্চলের ফল তরমুজ পিস হিসেবে কিনে দ্বিগুণ দামে কেজি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে বগুড়ার বাজারে।

চলতি রমজানে অসহ্য গরমে দেহে প্রশান্তি আনতে বগুড়ায় মানুষ তরমুজকে বেছে নিলেও দামের কারণে উল্টা অশান্তি হয়ে আছে। ইফতারে ঠাণ্ডা হিসেবে খেতে গিয়ে রোজাদারদের দ্বিগুণের বেশি অর্থ গুনতে হচ্ছে। ক্রেতারা বলছেন, কৃষকের ঘর থেকে বের হওয়ার পরপরই এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী পণ্য মজুদ রেখে তরমুজসহ বেশকিছু পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। এসব পণ্যের দাম না বাড়ালেও চলত।

বগুড়া কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, বগুড়ায় খুব কম পরিমাণ তরমুজ চাষ হয়। বেশির ভাগ তরমুজ আসে নাটোর ও দক্ষিণ অঞ্চলের জেলা থেকে। খুলনায় তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষক প্রতিটি তরমুজ মাঠে বিক্রি করেছেন পিস হিসাবে ১০০-২০০ টাকার মধ্যে। সে তরমুজ বগুড়া শহরের বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকা কেজি। এ দরে ক্রেতাদের একেকটি তরমুজ কিনতে হচ্ছে ৪০০ (ছোট) থেকে ৮০০ (বড়) টাকায়।

এদিকে বগুড়া শহরের তরমুজের আড়ত হিসেবে পরিচিত মহাস্থান হাটে তরমুজের প্রতি কেজি পাইকারি বিক্রি হয়েছে ৩০-৪০ টাকা। সে তরমুজ বগুড়া শহরের কাঁঠালতলা, স্টেশন রোড, সাতমাথা, কলোনি, মালতিনগর, চেলোপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় খুচরা বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০ টাকা কেজি।