রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী ধীমান চাকমাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার ভোরে জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ধীমান চাকমা ছুটিতে বাঘাইছড়ির নিজ বাড়িতে গিয়েছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধীমান চাকমা নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রগতি চাকমার দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করতেন। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি ছুটিতে বাড়িতে আসেন। রাতে তিনি বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাড়ি এসে তাকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। বছরখানেক আগে তিনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) থেকে পদত্যাগ করে জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা) দলে যোগদান করেন। তাই এ কারণেই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ উদ্দিন জানান, আমরা ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছি। নিহত ব্যক্তি জেএসএস (এমএন লারমা) দলের সদস্য বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা অভিযোগ করেন, ভোরে রূপকারী ইউনিয়নের পাকুজ্জ্যাছড়ি নামক এলাকায় সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএসের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী ধীমান চাকমার বাসা থেকে তাকে ডেকে নিয়ে গুলি করে পালিয়ে যায়। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ঘটনায় সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানাই।