সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করা হয়েছে। রোববার রাতে পাসপোর্ট আইনে ভারতে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা’র অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে সিলেটের কানাইঘাট থানায় এ মামলা করে।
শনিবার বিকাল ৪টার দিকে সিলেটের বিচারিক হাকিম আলমগীর হোসেন বিচারপতি মানিককে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মানিক বর্তমানে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
রোববার সন্ধ্যার দিকে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘তার চিকিৎসার জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক শিশির চক্রবর্ত্তীকে সভাপতি করে আট সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।’
এর আগে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে কানাইঘাট উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টার সময় বিচারপতি মানিককে আটক করে বিজিবি। শনিবার বিকালে আদালতে তোলার সময় আলোচিত এ বিচারপতিকে লক্ষ্য করে উত্তেজিত জনতা ডিম ও জুতা নিক্ষেপ করে। সাবেক এ বিচারপতিকে আদালতে তোলার সময় সিঁড়িতে ওঠার আগে কয়েকজন যুবক কিল, ঘুষি ও পেছন থেকে টেনে ধরে আঘাত করেন। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে চৌধুরী মানিকের অণ্ডকোষে অস্ত্রোপচার হয় ওসমানী হাসপাতালে।
এরই মধ্যে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে নিয়ে ‘আপত্তিকর মন্তব্য করার’ অভিযোগে ঢাকা ও নোয়াখালীতে দুটি মামলা হয়েছে চৌধুরী মানিকের বিরুদ্ধে।
২০১৫ সালে অবসরে যাওয়ার আগে তখনকার প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে বার বার শিরোনাম হয়েছেন বিচারপতি মানিক। সে সময় তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে বিচারপতি সিনহার বিরুদ্ধে অভিযোগও করেছিলেন।










