বাগেরহাট ও পিরোজপুর জেলার সীমানার কালীগঞ্জ বাজার-সংলগ্ন চরবানিয়ারি ও উমাজুড়ি এলাকার সীমানা নির্ধারণ নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। গতকাল সকালে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার সন্তোষপুর ও পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের কয়েকশ মানুষ সীমানার দুই পাড়ে অবস্থান নেয়। নাজিরপুরের মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের লোকজনের দখলের হুমকি প্রতিরোধ করতে চিতলমারীর সন্তোষপুরের বাসিন্দারা প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। দুই পক্ষের সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলের সীমানার দুই প্রান্তে নাজিরপুর ও চিতলমারী থানা পুলিশের দুটি দল অবস্থান নেয়।

সন্তোষপুর ইউনিয়নের উমাজুড়ি এলাকার লোকজনের অভিযোগ, দীর্ঘ ৩০-৩৫ বছর বলেশ্বর নদের পাড়ে উমাজুড়ি ও চরবানিয়ারি মৌজায় বসবাস করে আসছে তারা। কিন্তু জেলার সীমানা জটিলতার অজুহাতে নাজিরপুর উপজেলার কিছু প্রভাবশালী উমাজুড়ি ও চরবানিয়ারি এলাকার শতাধিক পরিবারকে উচ্ছেদের চেষ্টা করে আসছে। মাটিভাঙ্গা এলাকার লোকদের হুমকিতে কিছুদিন ধরে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে উমাজুড়ি ও চরবানিয়ারির বাসিন্দারা।

সন্তোষপুর ইউনিয়নের ৭ নং (উমাজুড়ি) ওয়ার্ডের সদস্য আবু বকর শেখ জানান, সম্প্রতি একটি জরিপ টিম সীমানা পিলার স্থাপনের পর থেকে নাজিরপুর এলাকার বাবুল ও কেরামতসহ বেশকিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ওই ৭০টি পরিবারকে উচ্ছেদের হুমকি দিচ্ছে।

এ বিষয়ে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন, সীমানা বিরোধ নিয়ে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছি। দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছি। উভয় উপজেলার লোকদের শান্ত থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, সীমানা বিরোধ নিয়ে উত্তেজনার খবরে দুই উপজেলার সীমানায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।