তিনি জানান, এজন্য সম্ভাব্য তিনটি স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। স্থানগুলো যাচাই-বাছাই করে স্থানীয় জনগণের জন্য সবচেয়ে উপযোগী জায়গাটি নির্বাচন করে দ্রুত প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়ন করা হবে।
গতকাল সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার দেশের প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এরই মধ্যে ২০১টি উপজেলায় এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর মধ্যে বেশকিছু প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে, কিছু প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে এবং কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের অপেক্ষায় রয়েছে। অধিগ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর কাজ শুরু করা হবে।’
সুরমায় স্টেডিয়াম নির্মাণের স্থান নির্ধারণ নিয়ে তিনি বলেন, ‘এমন স্থান নির্বাচন করা হবে, যেখানে দর্শকরা সহজে এসে গ্যালারিতে বসে খেলা উপভোগ করতে পারেন এবং খেলোয়াড়দের জন্যও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। এ ধরনের একটি পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য প্রায় পাঁচ-ছয় একর জায়গার প্রয়োজন হবে।’
এ কারণে সরকারের ব্যয় কমানোর বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি, যেখানে সরকারি খাস জমি পাওয়া যাবে, সেখানে স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নিতে। এতে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় কমানো সম্ভব হবে।’
পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য এমএ মালিক, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালক বদরুদ্দোজা সেলিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।










