কিশোরগঞ্জে দাওয়াত খেয়ে অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় উপজেলা আওয়ামী লীগের দুই নেতাসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া কুলিয়ারচর পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাবিবুর রহমান গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নিহতরা হলেন কুলিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন গিয়াস (৫৭) ও জহির রায়হান (৫৮) এবং ভাটি দোয়ারিয়া এলাকার বাসিন্দা হোমিও চিকিৎসক গোবিন্দ বিশ্বাস (৪৫) ও গাড়িচালক শাজাহান মিয়া। তাদের মধ্যে শাজাহান মিয়া নিজ বাড়িতে রোববার রাতে এবং বাকিরা গতকাল সকালে মারা যান।
পুলিশ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, শনিবার রাতে এ পাঁচজনই একটি দাওয়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পর থেকেই সবাই একে একে অসুস্থ হয়ে পড়েন। রোববার বমি করায় তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। সেদিন রাতেই মারা যান শাজাহান। সে সময় বাকিদের স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়, পরে গতকাল সকালে তিনজনকে বাজিতপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও হাবিবুর রহমানকে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। হাবিবুর সেখানে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।
তবে বাজিতপুর থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে জহির রায়হানের মৃত্যু হয়। জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান গিয়াসউদ্দিন গিয়াস ও গোবিন্দ বিশ্বাস।
কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াছির মিয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট আরো ৮-১০ জনের অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘বিষক্রিয়ার কারণে চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তবে মেডিকেল রিপোর্ট দেখে মৃত্যুর কারণ বিস্তারিত বলা যাবে।’










